বুধবার পশ্চিমবঙ্গে ভোট প্রচারে এসে হইচই ফেলে দিয়েছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। হুগলীর চাঁপদানির সভা থেকে নারী-সুরক্ষার বিষয়ে মমতা সরকারের তীব্র সমালোচনা করেন যোগী। সেই সঙ্গে দাবি করেন বিজেপি ক্ষমতায় এলে উত্তরপ্রদেশের মতো বাংলাতেও, মহিলাদের সুরক্ষা দিতে অ্যান্টি-রোমিও স্কোয়াড তৈরি করা হবে। যা নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। কিন্তু, কী এই অ্যান্টি রোমিও স্কোয়াড? কীভাবেই বা কাজ করে এই বাহিনী?
 
২০১৭ সালে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছিলেন যোগী আদিত্যনাথ। শপথ গ্রহণের মাত্র দু'দিন পরই 'নারীর সম্মান রক্ষার জন্য' অ্যান্টি রোমিও স্কোয়াড গঠন করা হয়েছিল। তার আগে উত্তরপ্রদেশের নির্বাচনী ইশতেহারেই এই বিশেষ স্কোয়াড বা দল তৈরির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল বিজেপি। এই দল গঠনের উদ্দেশ্য ছিল, 'কলেজ পড়ুয়া মেয়েদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা' এবং 'ইভটিজিং বন্ধ করা'।

- প্রতিটি দল দু'জন পুলিশ সদস্য নিয়ে গঠিত। অধিকাংশ দলেই একজন পুরুষ এবং একজন মহিলা থাকেন

- একটি থানার এক্তিয়ারে দুই থেকে তিনটি দল অ্যান্টি রোমিও স্কোয়াড মোতায়েন করা যেতে পারে

- কটি দল মোতায়েন করা গহবে, তা ওই এলাকার স্কুল এবং কলেজের সংখ্যার উপর নির্ভর করে

আরও পড়ুন - বঙ্গের কোন কোন কেন্দ্রে সহজে জিতবে বিজেপি, কোথায় লড়াই কঠিন - কী বলছে দলের গোপন বিশ্লেষণ

আরও পড়ুন - বিজেপি এলে CAA হবেই, কিন্তু NRC-র কথা তুলছে কেন তৃণমূল - গেরুয়া শিবিরের কী পরিকল্পনা

আরও পড়ুন - কৃষি না শিল্প - একদশক পর নির্বাচনে ফিরে এল পুরোনো প্রশ্ন, কী বলছে সিঙ্গুর

- স্কুল এবং কলেজের আশেপাশে, যেখানে মহিলাদের বেশি সংখ্যক জমায়েত হয়, সেখানেই এই স্কোয়াডের সদস্যরা থাকেন

- ভিড়ের মধ্যে ইভটিজার এবং সমস্যাসৃষ্টিকারীদের সনাক্ত করাই তাদের কাজ

"

-কখনও তারা থাকেন উর্দি পরে এবং কিছু ক্ষেত্রে থাকেন সাদা পোশাকে

- এই দলগুলিতে কনস্টেবল, প্রধান কনস্টেবল, এএসআই এবং এসআই ব়্যাঙ্কের পুলিশ সদস্যরা থাকেন

- অ্যান্টি রোমিও স্কোয়াড দুর্বৃত্তদের ধরে সতর্ক করে ছেড়ে দিতে পারে, তাদের বাবা-মা'কে জানাতে পারে,  এমনকী মামলার গুরুত্বের উপর নির্ভর করে ফৌজদারি ব্যবস্থাও নিতে পারে