সরস্বতী পুজোতে  একসঙ্গে পুজো হয় লক্ষী, ভগবতী, কার্তিক ,গনেশের এবং সরস্বতীর। এমনই প্রাচীন সরস্বতীর পুজো হয় বাঁকুড়ার রতনপুর গ্রামে। গ্রামে দুর্গাপুজার প্রচলন নেই। গ্রামের দুই পাড়ার প্রাচীন সরস্বতী পুজো গ্রামের মুল উৎসব। আর তাকে ঘিরেই দুর্গাপুজার স্বাদ গ্রহন করেন গ্রামের আট থেকে আশি। আর ভাগ বসান আশেপাশের গ্রাম ও আত্মীয় পরিজনরা। 

আরও পড়ুন, ভ্যালেন্টাইন ডে-তে চালকদেরকে গোলাপ উপহার, নিজেকে ভালবাসতে শেখাল ট্রাফিক পুলিশ 

 

বাঁকুড়া জেলার সরস্বতীর গ্রাম বলেই পরিচিত রতনপুর গ্রাম। কারন সরস্বতী পুজোর আমেজ গ্রাম জুড়ে। আর মেতে উঠেন সকল মানুষ।  সমৃদ্ধ এই গ্রামের বিশ্বাস পাড়া এবং দাস পাড়ার প্রাচীন সরস্বতী পুজো কে ঘিরে উৎসবের আমেজ। বছর ভর অপেক্ষা এই বড় পুজোর দিকেই। এখানে  প্রতিমা এমন  ব্যাতিক্রম কেন?  সে ইতিহাস অজানা। তবে শোনা যায় গ্রামের এক প্রান্তে দেবী অম্বিকার অবস্থান তাই গ্রামে দুর্গাপুজা প্রচলন নেই। যেহেতু গ্রামে দুর্গাপুজা নেই তাই সরস্বতী পুজোতে মাঝে সরস্বতী, একপাশে লক্ষী, গনেশ আর অন্যপাশে ভগবতী, কার্তিক। এইভাবেই প্রতিমা তৈরি করে এখানে সরস্বতী পুজোর প্রচলন শুরু হয়। খুবই প্রাচীন এখানের গ্রামের সরস্বতী পুজো।

 

 

আরও পড়ুন, সাগর থেকে শাহ-র রথযাত্রার সূচনা, পাল্লা দিয়ে ময়দানে 'দিদির দূত', 'ভূত' বলে কটাক্ষ সুজনের 


  গ্রামের মাঝে বিশ্বাস পাড়া।  বিশ্বাস পরিবারের কোন এক পুর্বপুরুষ এই পুজোর প্রচলন করেন। পুজোর বয়স তিনশ বছরের অধিক। কীভাবে শুরু তা অজানা। নিজস্ব মন্দিরে দেবী পুজিতা হন। বিশ্বাস পাড়ার পুজো থেকেই দাস পাড়ায় একই ভাবে পুজো শুরু হয়।  এখানেও রয়েছে সরস্বতী মন্দির সেখানেই বাগদেবীর আরাধনা করা হয়।  দুই পাড়ার দুই প্রাচীন পুজোকে ঘিরে মেতে উঠেন গ্রামের সকলেই। দুই মন্দিরে বাগদেবীর সাথে লক্ষী, ভগবতী, কার্তিক ও গনেশের আরাধনা করা হয়। ৮ দিন ধরে চলে পুজো পাট। প্রাচীন নিয়ম মেনেই পুজো পরিচালনা করছেন দুই পাড়ার পুজো কমিটি।