মুর্শিদাবাদকাণ্ডের পর পুলিশি তৎপরতা তুঙ্গে ধরপাকড় চলছে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে  শান্তিনিকেতন থেকে গ্রেফতার চার বাংলাদেশী উদ্ধার হল আগ্নেয়াস্ত্র ও বোমা তৈরির মশলা  

আশিষ মণ্ডল, বীরভূম: পরিচয় লুকিয়ে ভাড়া ছিল একটি বাড়িতে। কিন্তু শেষরক্ষা আর হল কই! গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শান্তিনিকেতন থেকে চারজন বাংলাদেশী-সহ ছ'জন দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করল পুলিশ। তাদের কাছে মিলেছে আগ্নেয়াস্ত্র ও বোমা তৈরির মশলা। ধৃতদের প্রত্য়েককে ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

আরও পড়ুন: মুর্শিদাবাদের ৭ আল-কায়দা জঙ্গিকে জেরা,ফাঁস সৌদি আরব যোগ

পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতেরা হল রফিক ফকির ওরফে বাবু সরকার, মহঃ মুরাদ মুন্সী, ডিলা মিঞা ওরফে দিলওয়ার মিঞা ওরফে দিলু, মহম্মদ, বিলাল হোসেন, সাহিদ আনোয়ার আলি ওরফে রাজু এবং শেখ কাজল। ফিকের বাড়ি বাংলাদেশের ঢাকার রায়েরবাগ এলাকায়। মুরাদ মুন্সী ঢাকার রামপুর বনসিটির বাসিন্দা। ডিলা মিঞা এবং বিলাল হোসেন বাংলাদেশের বুনিয়াপাড়া, খিলগাঁওয়ের বাসিন্দা। বাকি দু'জন বীরভূমের বাসিন্দা। একজনের বাড়ি শান্তিনিকেতন থানারই খোশকদমপুরে আর, একজন বোলপুর থানার মুলুক গ্রামের বাসিন্দারা।

আরও পড়ুন: বাজি কারখানায় আচমকা বিস্ফোরণ, উড়ল বাড়ির ছাদ

জানা গিয়েছে, শান্তিনিকেতন থানার তালতোড় গ্রামে দিলীপ ঘোষের বাড়িতে নাম ভাঁড়িয়ে ভাড়া থাকত ওই ছ'জন দুষ্কৃতী। সম্প্রতি মুর্শিদাবাদ থেকে আল কায়দায় জঙ্গি সন্দেহে গ্রেফতার করা হয়েছে সাতজনকে। এরপর গত কয়েক দিন ধরে রাজ্যে জুড়ে পুলিশের তৎপরতাও বেড়েছে, চলছে ধরপাকড়। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে রবিবার রাতে তালতোড় গ্রামে দিলীপ ঘোষের বাড়িতে অভিযান চালায় শান্তিনিকেতন থানার পুলিশ। হাতেনাতে ধরা পড়ে যায় বাংলাদেশ-সহ ছ'জন দুষ্কৃতী। ধৃতদের কাছ থেকে একটি নাইন এম এম পিস্তল ও বোমা তৈরির মশলা। কী কারণে শান্তিনিকেতন ঘাটি গেঁড়েছিল দুষ্কৃতীরা? প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, স্থানীয় বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী নেতাদের খুনের ছক পরিকল্পনা ছিল তাদের। এমনকী, মেদিনীপুর জেলের দুই বন্দিদের সঙ্গে ওই দুষ্কৃতীদের যোগাযোগ ছিল।