চলন্ত ট্রেন থেকে পড়ে মৃত্যু হল এক যুবকের। বছর কুড়ির ওই যুবকের নাম শুভ্রজ্যোতি পাল। বীরভূম জেলার নলহাটিতে বাড়ি ছিল ওই মৃত যুবকের। 

জানা গেছে নলহাটি যাবেন বলে হাওড়া থেকে মালদা ইন্টারসিটি এক্সপ্রেসে উঠেছিলেন বছর কুড়ির ওই যুবক। তিনি যে কম্পার্টমেন্টে ওঠেন সেখানে হকারদের মধ্যে বিক্রিত দ্রব্য রাখাকে কেন্দ্র করে নিজেদের মধ্যে ঝামেলা শুরু হয়। যা হাতাহাতির পর্যায়ে পৌঁছে যায়। সেই সময় শুভ্রজ্যোতি চলন্ত ট্রেনের গেটের সামনে দাঁড়িয়েছিলেন। হকারদের মারামারির মধ্যে পড়ে ট্রেনের দরজা থেকে ছিটকে নিচে পড়ে যান তিনি। 

আরও পড়ুন: করোনা আতঙ্কের মধ্যেই মথুরা মেতেছে উৎসবে, গোকুলে পালিত হচ্ছে 'ছাদি হোলি', দেখুন ভিডিও

বালি ও উত্তরপাড়া স্টেশনের মাঝে এই দুর্ঘটনা ঘটে। মারামারি করার সময় হকাররা আচমকা ওই যুবকের গায়ে পড়ে গেলে তিনি ভারসাম্য রাখতে না পেরে ট্রেন থেকে পড়ে যান। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। হকারদের মারামারি দেখেই তিনি চলন্ত ট্রেনের দরজার কাছে গিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন বলে তদন্তে রেল পুলিশ জানতে পেরেছে। 

আরও পড়ুন: 'আপনি আমার কাছে ঈশ্বর', গুণমুগ্ধের কথা শুনে ৫৬ ইঞ্চির ছাতির চোখেও এল জল

শুক্রবার এই ঘটনা ঘটলেও তখন শুভ্রজ্যোতির পরিচয় জানা যায়নি। এই বিষয়ে শুক্রবার গভীর রাত পর্যন্ত কেউ কোনও অভিযোগও দায়ের করেনি। কিন্তু ঘটনার পর যাত্রীদের কাথ থেকে পাওয়া বিবরণ অনুযায়ী বেলুড় জিআরপি অভিযুক্তদের সন্ধান চালাতে থাকে। ঘটনার তদন্তে নেমে ২ জনকে ইতিমধ্যে গ্রেফতারও করেছে জিআরপি। 

আরও পড়ুন: উদ্বোধনের ৬ মাসের মধ্যেই বিপর্যয়, দিল্লির কাছে গুরুগ্রামে ধসে পড়ল পাতৌদি ফ্লাইওভার

এই ঘটনায় দুই হকার চন্দন কুণ্ডু ও মাখন রায়েক ব্যান্ডেল স্টেশন থেকে গ্রেফতার করে। শনিবার ধৃতদের হাওড়া আদালতে তোলা হলে বিচারক ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন।