নামী ল্যাংচা ব্যবসায়ীর শিশুপুত্রের অপহরণ ঘিরে চাঞ্চল্য শক্তিগড়ে। রবিবার সকালে অপহরণ করা হয় শিশুটিকে। পাঁচ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ চাওয়ার পরে শিশুটিকে রাস্তার ধারে ঝোঁপের মধ্যে ফেলে দিয়ে গেল অপহরণকারীরা। অপহরণকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে শেখ রবিউল নামে এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাকে এ দিনই আদালতে তোলা হয়েছে। এর পাশাপাশি ওই ব্যবসায়ীর গাড়ি চালককেও জেরা করছে পুলিশ। 

পূর্ব বর্ধমানের শক্তিগড়ে জাতীয় সড়কের ধারে বলিরাম ওঝা নামে এত ব্যবসায়ীর বড় ল্যাংচার দোকান রয়েছে। রবিবার সকাল এগারোটা নাগাদ দোকানের সামনে থেকেই হয় পাঁচ বছরের শিশুপুত্রকে অপহরণ করা হয়। শিশুটিকে খুঁজে না পেয়ে শক্তিগড় থানায় অভিযোগ দায়ের করে তার পরিবার।

আরও পড়ুন- কিডন্যাপার বনলেন বিএসএফ ও পুলিশ, কলকাতার ঘটনা অবাক করার মতো

আরও পড়ুন- অপহরণকাণ্ডে নাম জড়াল জোমাটোর, কুকুর চুরি করে পলাতক ডেলিভারি বয়

সিসিটিভিতে দেখা যায়, ওই ল্যাংচার দোকানের সামনে দু'টি গাড়ি পাশাপাশি দাঁড়িয়ে। তার মধ্যে লাল রংয়ের একটি গাড়ি ছিল অপহৃত শিশুর পরিবারের। অন্য একটি সাদা গাড়িতে ওই শিশুকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়।   বিকেলের দিকে ৫ লক্ষ টাকা মুক্তি পণ চেয়ে শিশুটির পরিবারের কাছে ফোন আসে। হিন্দিতে মুক্তিপণ দাবি করা হয়। 

শিশু অপহরণের অভিযোহ পাওয়ার পরেই তৎপর হয় পুলিশ। এরই মধ্যে বিকেলের দিকে শক্তিগড়ের কাছে আমড়ায় একটি ঝোঁপের মধ্যে শিশুটিকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় এক বাসিন্দা। পরে শিশুটিকে গিয়ে উদ্ধার করে পুলিশ। শিশুটির গলায় কাপড়ের ফাঁস দেওয়া ছিল বলে অভিযোগ। দ্রুত তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। 

শিশুটি একটু ধাতস্থ হতেই তার সঙ্গে কথা বলে পুলিশ। ঘটনায় ইতিমধ্যেই রবিউল শেখ নামে এক দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রবিউলই ফোন করে মুক্তিপণ দাবি করেছিল বলে পুলিশ সূত্রে খবর। ধৃতের সঙ্গে আর কেউ  শিশু অপহরণে যুক্ত ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।