শাখওয়াত মেমোরিয়ালের গণনা কেন্দ্রে ভবানীপুরের দুই প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও শুভেন্দু অধিকারী। দু’জনেই ফোন নিয়ে প্রবেশ করেছিলেন বলে খবর। তারপরই বড় নির্দেশ নির্বাচন কমিশনে। দুই প্রার্থীর ফোন নিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মোবাইল নিয়ে গণনাকেন্দ্রে প্রবেশের অনুমতি নেই।

শাখওয়াত মেমোরিয়ালের গণনা কেন্দ্রে ভবানীপুরের দুই প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও শুভেন্দু অধিকারী। দু’জনেই ফোন নিয়ে প্রবেশ করেছিলেন বলে খবর। তারপরই বড় নির্দেশ নির্বাচন কমিশনে। দুই প্রার্থীর ফোন নিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মোবাইল নিয়ে গণনাকেন্দ্রে প্রবেশের অনুমতি নেই। অন্যদিকে একই গণনাকেন্দ্রে গিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখান থেকে তাঁকে বেরিয়ে যেতে বলে নির্বাচন কমিশন। কারণ, তিনি প্রার্থী নন। প্রার্থী বা এজেন্ট ছাড়া গণনাকেন্দ্রে কারও থাকার কথা নয়।

বিজেপি জিততেই নবান্নের নিরাপত্তায় কেন্দ্রীয় বাহিনী। ফাইল নিয়ে ঢোকা-বেরোনো আটকাতে কড়া নজর। নবান্ন-সহ সব সরকারি অফিসে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে নবান্নে কড়া নজরদারিতে পুলিশ। ফাইল নিয়ে যাতে কেউ না বেরোতে পারে, দেখতে নির্দেশ বলে পুলিশ সূত্রে খবর। সরকারি কর্মীদের ঢোকা-বেরোনোয় কড়া নজর কেন্দ্রীয় বাহিনীর। সরকার বদলের আভাস পেতেই সক্রিয় কেন্দ্রীয় বাহিনী-পুলিশ। তল্লাশির পরেই নবান্নের কর্মীদের ছাড় কেন্দ্রীয় বাহিনী-পুলিশের। তবে শুধু নবান্ন নয়। রাজ্যের একাধিক দফতরের অফিসে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। মহাকরণ, বিকাশ ভবন, জলসম্পদ ভবন, খাদ্যভবনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর কিউআরটি নিয়ে যাওয়া হয়েছে। উদ্দেশ্য একটাই, যাবতীয় সরকারি নথি সুরক্ষা।

বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে এসে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ঘোষণা করেছিলেন, বিজেপি ক্ষমতায় এলে সমস্ত ফাইল খোলা হবে। সেকথা মাথায় রেখেই যাবতীয় নথিপত্র সংরক্ষণের উদ্যোগ বলেই মনে করা হচ্ছে। নবান্ন রাজ্যের মূল প্রশাসনিক ভবন। বিজেপির আশঙ্কা, কোনও নথি লোপাট হয়ে যেতে পারে। আর সেই কারণেই দ্রুত কিউআরটি টিম পাঠানো হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ সরকারি দফতরগুলিতে। নবান্নের চারপাশে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা মোতায়েন রয়েছেন সুরক্ষার স্বার্থে। নবান্নে ভবনে ঢোকা-বেরোনোর বিভিন্ন পথে বসিয়ে দেওয়া হয় কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা। এমনকি, নবান্নের ভিতরেও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। সরকারি সূত্রের অনুমান, প্রশাসনিক মূল ভবন বা অন্যান্য সরকারি দফতর থেকে গুরুত্বপূর্ণ ফাইল সরিয়ে দেওয়া যাতে না হয়, তা নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ।

এদিকে, দুপুরে নবান্নের সামনে বিজেপির পতাকা উড়েছে। জেপির পতাকা নিয়ে জয় শ্রীরাম স্লোগান বিজেপির মহিলা কর্মী-সমর্থকদের। কারণ, ১৫ বছর পরে ফের পালাবদল। দুই তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পথে বিজেপি। ১৯২ আসনে এগিয়ে বিজেপি। তৃণমূল ৯৬ আসনে। সিপিএম+ISF এগিয়ে ২টি আসনে। কংগ্রেস ১টিতে এগিয়ে। হুমায়ুন কবীরের আম জনতা উন্নয়ন পার্টি এগিয়ে ২ আসনে।