Abhishek Banerjee: অভিষেককে ঘিরে শুরু হয় ‘চোর-চোর’ স্লোগান। এমনকি, এলোপাথাড়ি চড় এবং ঘুষিও চলতে শুরু করে। সেইসঙ্গে, এলাকার মহিলারা পচা ডিম ছুঁড়তে থাকেন। কোনওমতে বাঁচার চেষ্টা করেন তৃণমূল নেতা। এরপর পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী জওয়ানরা সেখান থেকে বের করেন আনেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে।

Abhishek Banerjee: উত্তপ্ত সোনারপুর। কার্যত, মারমুখী জনতা। শনিবার বিকেলে, নিহত তৃণমূল কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে সোনারপুরে যান দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক এবং ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (abhishek banerjee news)। কিন্তু তিনি সেখানে পৌঁছতেই স্থানীয় জনতার বিক্ষোভের মুখে পড়েন (abhishek banerjee latest news)। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

অভিষেককে ঘিরে শুরু হয় ‘চোর-চোর’ স্লোগান। এমনকি, এলোপাথাড়ি চড় এবং ঘুষিও চলতে শুরু করে। সেইসঙ্গে, এলাকার মহিলারা পচা ডিম ছুঁড়তে থাকেন। কোনওমতে বাঁচার চেষ্টা করেন তৃণমূল নেতা। মাথায় দেন একটি হেলমেট। অভিষেকের জামা ছিঁড়ে যায় এবং ভেঙে যায় চশমাও।

পরিস্থিতি এমন আয়গায় গিয়ে পৌঁছয় যে, তাঁকে সেখান থেকে বের করে আনাই রীতিমতো কঠিন হয় পড়ে। খবর পেয়েই এলাকায় পৌঁছে যায় বাড়তি পুলিশ ফোর্স এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী। এরপর পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী জওয়ানরা সেখান থেকে বের করেন আনেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। কিন্তু জনরোষ এতটাই ভয়ানক ছিল যে, অভিষেকের পিছনে ছুটতে শুরু করে উত্তেজিত জনতা। 

Scroll to load tweet…

কোনওমতে উদ্ধার করা হয় অভিষেককে। যেখান সেখান থেকে উড়ে আসতে থাকে পচা ডিম এবং সঙ্গে তারস্বরে এলাকার জনতা চেঁচাতে থাকেন ‘চোর-চোর' বলে। ইতিমধ্যেই এই ঘটনার নিন্দা জানানো হয়েছে কংগ্রেসের তরফে। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, “রাজ্যে নির্বাচন-পরবর্তী হিংসায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে সোনারপুরে সাংসদ শ্রী অভিষেক ব্যানার্জীর ওপর যে মর্মান্তিক হামলা হয়েছে, তার তীব্র নিন্দা জানাই। একজন বিরোধী নেতার জন্য ইচ্ছাকৃতভাবে পর্যাপ্ত পুলিশি সুরক্ষার অভাব বিজেপির প্রতিহিংসা এবং নিপীড়নের রাজনীতির কথাই স্পষ্টভাবে প্রকাশ পাচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গ সরকার এবং কেন্দ্রীয় সরকারকে অবশ্যই সমস্ত বিরোধী নেতাদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে হবে এবং এই ধরনের হামলা প্রতিরোধে অবিলম্বে পদক্ষেপ নিতে হবে। রাজনৈতিক মতপার্থক্য কোনও ধরনের অসহিষ্ণুতাকে ন্যায্যতা দিতে পারে না।"

Scroll to load tweet…

অন্যদিকে, সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদব এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, “বাংলায় তৃণমূল কংগ্রেসের একজন নেতা শ্রী অভিষেক ব্যানার্জী উপর একটি নৃশংস হামলা চালিয়ে বাংলার নৈরাজ্যপূর্ণ বিজেপি সরকার প্রমাণ করেছে যে, বিজেপি ঘৃণাপূর্ণ, নেতিবাচক এবং হিংসাত্মক রাজনীতি ছাড়া আর কিছুই করতে পারে না। এমন একটি সংবেদনশীল পরিস্থিতিতেও পুলিশি ব্যবস্থার অভাব একটি বড় ষড়যন্ত্রের দিকে ইঙ্গিত করে। চরম নিন্দনীয়!"

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।