দক্ষিণ দিনাজপুরের কুমারগঞ্জের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু সরকারকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। পুলিশের উপস্থিতিতেই তাঁকে কিল, চর-ঘুষি মারা হয়। সেই ছবি ধরা পড়েছে সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরায়। এই ঘটনার খানিক আগেই বুথে বিজেপি এজেন্ট বসতে না দেওয়ার অভিযোগ তোলেন তিনি। প্রার্থী নিজেই তাড়া করেন তৃণমূল কর্মীদের।

দক্ষিণ দিনাজপুরের কুমারগঞ্জের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু সরকারকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। পুলিশের উপস্থিতিতেই তাঁকে কিল, চর-ঘুষি মারা হয়। সেই ছবি ধরা পড়েছে সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরায়। এই ঘটনার খানিক আগেই বুথে বিজেপি এজেন্ট বসতে না দেওয়ার অভিযোগ তোলেন তিনি। প্রার্থী নিজেই তাড়া করেন তৃণমূল কর্মীদের।

দক্ষিণ দিনাজপুরের কুমারগঞ্জের বিজেপি প্রার্থীর এজেন্টকে বুথে ঢুকতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। পাল্টা অভিযুক্তদের ধাওয়া করলেন বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু সরকার। তাঁকে সেইসময়ও মারধর, গাড়ি ভাঙচুর করার চেষ্টা করা হয় বলে তিনি অভিযোগ তোলেন। বুথে গিয়ে ধর্নায় বসে পড়েন বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু সরকার। অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। ঘটনাস্থলে যাচ্ছেন কমিশনের আধিকারিকরা।এর কিছুক্ষণ পরেই তাঁকে মার খেতে হয়েছে তৃণমূল কর্মীদের হাতে। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন। এই ঘটনায় স্থানীয় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন তুলেছেন বিজেপি নেতৃত্ব। পাশাপাশি তাঁর অভিযোগ দেখা মেলেনি কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্যদের। সময় মত হাজির হননি কুইক রেসপন্স টিমও।

বিজেপি প্রার্থীকে মারধরের ঘটনায় নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জরুরি ভিত্তিতে ‘অ্যাকশন টেকেন রিপোর্ট’ তলব করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে, কেন সময়মতো কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা সম্ভব হয়নি এবং প্রার্থীর নিরাপত্তার কেন এই গাফিলতি। গোটা ঘটনার বিস্তারিত ভিডিও ফুটেজ এবং পুলিশের রিপোর্ট খতিয়ে দেখে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে কমিশন সূত্রে জানানো হয়েছে।

বীরভূমের লাভপুর বিধানসভার ভ্রমরকল অঞ্চলে বিজেপির পোলিং এজেন্টের উপর হামলার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বীরভূমের সাঁইথিয়া থানা এলাকা লাভপুর বিধানসভার ভ্রমরকল অঞ্চলের ভ্রমরকল গ্রামে ৬৮ নম্বর বুথে বিজেপি ইলেকশন এজেন্ট বিশ্বজিৎ মণ্ডলকে মারধর করার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। তাঁকে সিউড়ি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ইট , লাঠি ও রড দিয়ে মাথা ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ। গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ।

এদিকে, সকাল ১১টা পর্যন্ত রাজ্যে ভোট পড়েছে ৪১.১১ শতাংশ। সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে পশ্চিম মেদিনীপুরে। সেখানে সকাল ১১টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৪৪.৬৯ শতাংশ। মালদহে সবচেয়ে কম ভোট পড়েছে। সেখানে ভোটের হার ৩৮.২২ শতাংশ।