
জাগ্রত বুড়ামা! ৫০০ বছরের রহস্যময় ইতিহাস, অমাবস্যায় সোনার সাজে দর্শন
Kali Puja 2026: ৫০০ বছরেরও বেশি প্রাচীন জনশ্রুতি, অগাধ বিশ্বাস আর অলৌকিক মাহাত্ম্য! দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটের তহবাজার এলাকার শ্রীশ্রী বুড়ামা কালী আজও ভক্তদের কাছে অত্যন্ত জাগ্রত দেবী হিসেবে পরিচিত।
Kali Puja 2026: ৫০০ বছরেরও বেশি প্রাচীন জনশ্রুতি, অগাধ বিশ্বাস আর অলৌকিক মাহাত্ম্য! দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটের তহবাজার এলাকার শ্রীশ্রী বুড়ামা কালী আজও ভক্তদের কাছে অত্যন্ত জাগ্রত দেবী হিসেবে পরিচিত। কথিত আছে, আত্রেয়ী নদীর তীরবর্তী জঙ্গলঘেরা এলাকায় স্বয়ম্ভূরূপে আবির্ভূত হয়েছিলেন দেবী। সেই থেকেই শুরু তাঁর আরাধনা। দীপান্বিতা অমাবস্যাকে সামনে রেখে নতুন রূপে সেজে উঠছে প্রাচীন বুড়ামা মন্দির। বিশেষ পুজোর রাতে সোনার অলংকারে সাজানো হবে দেবীকে। মায়ের সেই অপরূপ সাজের দর্শন পেতে প্রতি বছরই ভিড় জমান দূরদূরান্তের ভক্তরা। তাই এবারও মন্দির চত্বরে থাকছে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে নেওয়া হচ্ছে বিশেষ উদ্যোগ। কেন বালুরঘাটের বুড়ামাকে এত জাগ্রত বলে মনে করেন ভক্তরা? কীভাবে শুরু হয়েছিল এই পুজো? মায়ের নূপুরের শব্দ শোনা যাওয়া থেকে শুরু করে রানি রাসমণি ও রানি ভবানীর মন্দিরে আসার জনশ্রুতি—বুড়ামাকে ঘিরে রয়েছে নানা অজানা কাহিনি। দেখুন বালুরঘাটের ৫০০ বছরের প্রাচীন বুড়ামা কালীপুজোর ইতিহাস, ঐতিহ্য, জনশ্রুতি এবং দীপান্বিতা অমাবস্যার বিশেষ প্রস্তুতির সম্পূর্ণ প্রতিবেদন।