Bayron Biswas: মুর্শিদাবাদের সব কটি আসনে বৃহস্পতিবার প্রথম দফার ভোটগ্রহণ। ঠিক তার আগে কিছুটা বেসুরে বাজলেন সাগরদিঘির তৃণমূল প্রার্থী বাইরন বিশ্বাস। যে বাইরন বিশ্বাস ২০২৩ উপনির্বাচনে কংগ্রেসের টিকিটে দাঁড়িয়ে তৃণমূলকে হারিয়ে ঝড় তুলেছিলেন।
Bayron Biswas: মুর্শিদাবাদের সব কটি আসনে আগামী বৃহস্পতিবার প্রথম দফার ভোটগ্রহণ। ঠিক তার আগে বেসুরে বাজলেন সাগরদিঘির তৃণমূল প্রার্থী বাইরন বিশ্বাস। যে বাইরন বিশ্বাস ২০২৩ বিধানসভা উপনির্বাচনে কংগ্রেসের টিকিটে দাঁড়িয়ে তৃণমূলকে হারিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে ঝড় তুলেছিলেন। অধীররঞ্জন চৌধুরীই তাঁকে কংগ্রেসের টিকিটে সাগরদিঘি উপনির্বাচনে দাঁড় করিয়েছিলেন। কিন্তু সেই বাইরন ভোটে জিতে কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেন। এবার জোড়া ফুলের প্রতীকেই সাগরদিঘি থেকে ভোটে লড়ছেন বাইরন। ভোটের কয়েক ঘণ্টা আগে আচমকা তাঁর 'গুরু' অধীররঞ্জন চৌধুরী-র প্রশংসা করলেন বাইরন। তিনি অধীরের সঙ্গে 'স্বার্থপরের মতো বিশ্বাসঘাতকতা' করেছেন বলেও সাগরদিঘির তৃণমূল প্রার্থী আক্ষেপ করেন।
নিজেকে বিশ্বাসঘাতক বললেন বাইরন
কংগ্রেস ছেড়ে তাঁর তৃণমূল যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্তকে 'বিশ্বাসঘাতকতা' বলেই উল্লেখ করলেন সাগরদিঘির তৃণমূল প্রার্থী বাইরন বিশ্বাস। নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, তিনি স্বার্থপরের মতো আচরণ করেছেন এবং কংগ্রেসের টিকিটেই তাঁর রাজনৈতিক যাত্রা শুরু হয়েছিল। তাঁর রাজনৈতিক জীবনের শুরু হয়েছিল অধীর চৌধুরীর হাত ধরে এবং জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত সেই অবদান তিনি ভুলবেন না। পাশাপাশি, কংগ্রেস ছেড়ে অন্য দলে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্তকে তিনি নিজেই 'বিশ্বাসঘাতকতা' বলে উল্লেখ করেছেন। অধীর চৌধুরীকে নিয়ে প্রশ্ন করা হলে সাগরদিঘির তৃণমূল প্রার্থী বাইরন বিশ্বাস খোলামেলা মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, সারা দেশ জানে যে অধীর চৌধুরীর হাত ধরেই তিনি কংগ্রেসের জোট প্রার্থী হিসেবে রাজনীতিতে উঠে আসেন।
সেলিমের ভূমিকারও প্রশংসা করেন
পাশাপাশি সিপিএম নেতা মহম্মদ সেলিমের ভূমিকাও তিনি স্বীকার করেন। বাইরনের কথায়, "যা সত্যি, তা বলতেই হবে। আমি শুধু কংগ্রেস বা সিপিএমের ভোটে জিতিনি। বিজেপির সমর্থনও পেয়েছি, এমনকি তৃণমূলের ভোটও আমার দিকে এসেছে।"সাগরদিঘির ভোটারদের উদ্দেশে বাইরনের বার্তাও ছিল স্পষ্ট। তিনি বলেন, যদি মানুষ মনে করেন অন্য কোনও প্রার্থী তাঁর থেকে ভালো কাজ করতে পারবেন, তাহলে তাকেই জয়ী করা উচিত। সেই প্রার্থীর কাছ থেকেই পরিষেবা নেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি যোগ করেন, যদি ভোটারদের মনে হয় অন্য কেউ সবসময় তাঁদের পাশে থাকবেন, তাহলে তাঁকে (বাইরন বিশ্বাসকে) জেতানোর কোনও প্রয়োজন নেই।
উপনির্বাচনে জিতেছিলেন কংগ্রেসের টিকিটে
প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের উপনির্বাচনে বাম সমর্থিত কংগ্রেস প্রার্থী হিসেবে সাগরদিঘি থেকে জয়ী হন বাইরন। সেই নির্বাচনে তিনি তৃণমূল প্রার্থীকে প্রায় ২৩ হাজার ভোটে পরাজিত করেন। তবে জয়ের কিছুদিনের মধ্যেই তিনি কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেন।


