Bhangar EVM: আগামী ২৩ ও ২৯ এপ্রিল রাজ্যে দুই দফায় বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হতে চলেছে। এরই মধ্যে ভাঙড়ে ঘটতে চলেছে কিছুটা ব্যতিক্রমী ঘটনা। রাজ্যে বাকি সব জায়গায় যখন বুথে থাকবে একটিই ইভিএম (EVM), তখন ভাঙড়ের ভোটারদের সামনে খোলা থাকবে দু দুটি ইভিএম। 

Bhangar EVM: আগামী ২৩ ও ২৯ এপ্রিল রাজ্যে দুই দফায় বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হতে চলেছে। এরই মধ্যে ভাঙড়ে ঘটতে চলেছে কিছুটা ব্যতিক্রমী ঘটনা। রাজ্যে বাকি সব জায়গায় যখন বুথে থাকবে একটিই ইভিএম (EVM), তখন ভাঙড়ের ভোটারদের সামনে খোলা থাকবে দু দুটি ইভিএম। একেবারে দুটো ইভিএমে চোখ বুলিয়ে দিতে হবে ভোট। আসলে এবার ভাঙড় বিধানসভা কেন্দ্রে এবার প্রতিটি বুথে দু’টি করে ইভিএম ব্যবহার কারণটা একটু আলাদা। আসলে এখানে মোট প্রার্থীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯। যা একটি সাধারণ ইভিএম মেশিনের সীমার বাইরে। সাধারণত একটি ইভিএমে সর্বোচ্চ ১৬ জন প্রার্থীর নাম ও প্রতীক রাখা যায়। কিন্তু ভাঙড়ে সেই সংখ্যা বেশি হওয়ায়, বাধ্য হয়েই দ্বিতীয় ইভিএম ব্যবস্থার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

কোন কোন দলের প্রার্থী রয়েছে

নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ভোটারদের সুবিধার কথা মাথায় রেখেই এই ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ভাঙড়ে জোর লড়াই বিদায়ী বিধায়ক আইএসএফের নওসাদ সিদ্দিকি ও তৃণমূলের দাপুটে নেতা শওকত মোল্লার মধ্য়ে। এ ছাড়াও সেখানে বিজেপি, কংগ্রেস, সিপিআইএম(এল), জেইউপি, এসইউসি(আই) সহ আরও ১৭ জন প্রার্থী থাকছেন।

১৯ জন প্রার্থী, চলছে বিশেষ প্রশিক্ষণ

ফলে ১৯ জন প্রার্থীকে ইভিএমে জায়গা দিতে গিয়ে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য ইতিমধ্যেই প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। প্রতিটি বুথে কর্মীদের আলাদা করে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে, যাতে দু'টি ইভিএম ব্যবহারের সময় কোনও সমস্যা না হয়। পাশাপাশি ভোটারদের সচেতন করতেও প্রচার চালানো হবে। এবারের নির্বাচনে রাজ্যের অন্য কোনও কেন্দ্রে এমন পরিস্থিতি দেখা যায়নি। ফলে ভাঙড় এই দিক থেকে বিশেষভাবে নজর কাড়ছে। অনেকের মতে, এত বেশি প্রার্থী থাকায় এই কেন্দ্রে প্রতিদ্বন্দ্বিতা আরও জোরদার ও আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে।

ভাঙড় বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থীরা

নওসাদ সিদ্দিকি (আইএসএফ), শওকত মোল্লা, জয়ন্ত গায়েন (বিজেপি), সীমা ভট্টাচার্য (জেইউপি), মহাবুলবুল ইসলাম (কংগ্রেস), মির্জা হাসান (সিপিআইএমএল)।