ভাটপাড়া সংঘর্ষে মৃতদের দেহ নিয়ে শবযাত্রা শুরু করল বিজেপি মৃতদেহ নিয়ে শোকমিছিল এগোচ্ছে শ্মশানঘাটের দিকে হিংসা ছড়াল সেই মিছিল থেকেও

ভাটপাড়া সংঘর্ষে মৃতদের দেহ নিয়ে শবযাত্রা শুরু করল বিজেপি। মৃতদেহ নিয়ে শোকমিছিল এগোচ্ছে শ্মশানঘাটের দিকে। মিছিলের পুরোভাগে রয়েছেন সাংসদ অর্জুন সিংহ, বিজেপির বিধায়ক পবন সিংহ। অন্তত হাজার খানেক মানুষ এই মিছিলে রয়েছেন। পুলিশকে দেখে ক্ষোভে ফেট পড়ছেন মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

মিছিল চলাকালেই কাছাড়ি মোড় এলাকায় খণ্ডযুদ্ধ বাঁধে বিক্ষুব্ধ জনতা ও পুলিশের মধ্যে। পুলিশ টিয়ার গ্যাসও ছোঁড়ে জনতার দিকে। এদিন মিছিলে অংশগ্রহণকারীদের সকলের গায়ে সাঁটা ছিল কালো ব্যাচ।

এদিন অর্জুন সিংহ বলেন, আমি সূত্র মারফৎ জানতে পেরেছি উনি পুলিশকে বলেছেন বেছে বেছে বিজেপির লোকজনকে গুলি করতে হবে।

এছাড়া তিনি বলেন, 'এত বিস্ফোরক ও আগ্নেয়াস্ত্র আসছে কি করে? পুলিশ কি ভূমিকা পালন করছে? খাগড়াগড়ে যদি এনআইএ তদন্ত হতে পারে, তাহলে এখানে হবে না কেন? আমিএনআইএ তদন্ত দাবি করছি।' 


প্রসঙ্গত ভোটপর্বে শুরু হওয়া অশান্তি ভাটপাড়ায় এখনও অব্যহত। ১৪৪ ধারা জারি করেও নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না হিংসা। বৃস্পতিবার ভাটপাড়ায় দুষ্কৃতী তাণ্ডব ও পুলিশি ধরপাকড়ের মধ্যে গুলির আঘাতে মারা যান রমেন্দ্র সাউ নামক জনৈক ফুচকা বিক্রেতা। প্রাণ যায় ধর্মেন্দ্র সাউ নামক অন্য এক যুবকেরও। পাঁচজনকে গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অবস্থার গুরুত্ব বুঝেই আসরে নামেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। রাতারাতি সরানো হয় ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের কমিশনার তন্ময় চৌধুরীকে। তাঁর জায়গায় আসেন মনোজ বর্মা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পুলিশকে ৭২ ঘণ্টা সময়ও দিয়ে দেন সমস্যা মোকাবিলা করে শান্তি ফেরত আনার জন্যে । শুরু হয়ে যায় ধড়পাকড় তল্লাশি। এদিন ঘোষপাড়া অঞ্চলে অভিযানে যেতেই পুলিশকে পাল্টা আঘাত করে এলাকার মানুষ। চলে লাগাতার ইঁটবৃষ্টি। তার কিছুক্ষণে ফের দ্বিতীয় বার রণক্ষেত্র হয়ে উঠল ভাটপাড়া।