বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক আগেই সাংবাদিক সম্মেলন করে বোমা ফাটাল তৃণমূল কংগ্রেস। ভিডিও প্রকাশ করে তারা আম জনতা উন্নয়ন পার্টির হুমায়ুন কবীর এবং বিজেপির সরাসরি আঁতাতের অভিযোগ করেছে। এছাড়াও এখানে কোটি কোটি টাকার খেলা চলছে বলেও দাবি করা হয়েছে তৃণমূলের তরফে।  

বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক আগেই সাংবাদিক সম্মেলন করে বোমা ফাটাল তৃণমূল কংগ্রেস। ভিডিও প্রকাশ করে তারা আম জনতা উন্নয়ন পার্টির হুমায়ুন কবীর এবং বিজেপির সরাসরি আঁতাতের অভিযোগ করেছে। এছাড়াও এখানে কোটি কোটি টাকার খেলা চলছে বলেও দাবি করা হয়েছে তৃণমূলের তরফে। সাংবাদিক সম্মেলনে হুমায়ুন কবিরের একটি ভিডিও দেখিয়ে তৃণমূলের অভিযোগ, বিজেপির থেকে টাকা নিয়ে মুসলিম ভোটারদের ভুল বোঝানো হচ্ছে। তৃণমূলের দাবি, বিজেপির কাছ থেকে ১০০০ কোটি টাকা চেয়েছেন হুমায়ুন। তার মধ্য়ে ২০০ কোটি টাকা আগেভাগে দিতে বলেছেন। হুয়ামুনকে জিজ্ঞাসাবাদ-সহ গোটা ঘটনা জানতে তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে রাজ্যের শাসকদলের তরফে। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

বৃহস্পতিবার হলদিয়ায় জনসভা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তার ঠিক পরেই সাংবাদিক সম্মেলন করেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ, অরূপ বিশ্বাস ও ফিরহাদ হাকিম। তাঁদের অভিযোগ, বিজেপির থেকে টাকা নিয়ে মুসলিমদের ভোট কাটার চক্রান্ত করেছেন হুমায়ুন কবীর। তাঁর সঙ্গে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব ও অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার যোগাযোগ রয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে ভিডিওতে। তৃণমূলের প্রকাশ করা এই ভিডিওর সত্যাসত্য যাচাই করেনি এশিয়ানেট বাংলা। ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, হুমায়ুন কবীর কোনও একজনকে বলছেন বিজেপি র কাছ থেকে তিনি হাজার কোটি টাকা চেয়েছেন মুসলিম ভোটকে প্রভাবিত করার জন্য। এর মধ্যে ২০০ কোটি টাকা অগ্রিম চেয়েছেন তিনি। হুমায়ুনকে বলতে শোনা গিয়েছে যে বাবরি মসজিদের দাবি তিনি তুলেছেন মুসলিম সমাজের ভাবাবেগকে কাজে লাগানোর জন্য। তিনি আরও বলেন, বাবরি নামের থেকেও মসজিদটা আসল। ভিডিওতে হুমায়ুনকে বলতে শোনা গিয়েছে যে পিএমও-র সঙ্গে কথা বলে শুরুতে অসমের মুখ্যমন্ত্রী এবং পরে মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী এই কাজে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছেন।

তৃণমূলের বক্তব্য, "মুসলিমদের বিভ্রান্ত করা সহজ সেই জন্যই বাবরি মসজিদ নাম ব্যবহার করা হয়েছে এমনটাই বলছেন হুমায়ুন কবির। উনি বলছেন পিএমর সঙ্গে যোগাযোগ আছে। কোন অফিসারদের সঙ্গে যোগাযোগ আছে তদন্ত দরকার। অন্য রাজ্যের বিজেপি নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ আছে হুমায়ুন বলছেন। হুমায়ুনের সঙ্গে মিলে বিজেপির ভোট ভাগের আঁতাত পুরোটাই আজকে প্রমাণ হয়ে গেল। বিজেপি নির্বাচনে হারার আগে হেরে গেছে।" সাংবাদিক সম্মেলনে ফিরহাদ হাকিম বলেন, “মুসলিম ধর্মাবেগকে বিক্রি করছেন হুমায়ূন কবির। হাজার কোটি টাকা চাইছেন। আমরা এই মুসলমান সমাজের মানুষ কি গরু-ছাগল নাকি বুদ্ধিহীন? এই রকম মানুষ এই কাজ করবে আর আমরা সেটা মেনে নেব? আমাদের ভাবাবেগ কি বিক্রি করার জায়গা? আমাদের নিজস্ব বুদ্ধি আছে এবং আমরা এর জবাব দেব। এসআইআর করে নাম বাদ দিয়ে শান্তি হচ্ছে না। এর উপরে বেইমান গুলোকে কিনে নিচ্ছে।”