বিধানসভা নির্বাচনের জন্য বিজেপির ইশতেহার প্রকাশ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। নিউটাউনের একটি হোটেলে তিনি বিজেপির সংকল্পপত্র প্রকাশ করেন। ইশতেহারে বিজেপির তরফে রাজ্যবাসীকে ১৫টি প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে মহিলাদের মাসে আর্থিক সাহায্য, বেকার ভাতা। ইশতেহারে কৃষকদের জন্য একাধিক কথা বলা হয়েছে।

বিধানসভা নির্বাচনের জন্য বিজেপির ইশতেহার প্রকাশ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। নিউটাউনের একটি হোটেলে তিনি বিজেপির সংকল্পপত্র প্রকাশ করেন। ইশতেহারে বিজেপির তরফে রাজ্যবাসীকে ১৫টি প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে মহিলাদের মাসে আর্থিক সাহায্য, বেকার ভাতা। ইশতেহারে কৃষকদের জন্য একাধিক কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি কৃষকদের আর্থিক সাহায্য বাড়ানোর কথাও হলা হয়েছে। আলু, ধান ও আম চাষ বিশেষ ভাবে উল্লেখ করা হয়েছে বিজেপির ইশতেহারে।

চাষিদের জন্য কী কী ঘোষণা

প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মান নিধি প্রকল্পের টাকা বাড়ানো হবে। কেন্দ্রের ৬০০০ টাকার সঙ্গে রাজ্য সরকারের ৩০০০ টাকা যোগ করে মোট ৯০০০ টাকা করে দেওয়া হবে। ধান, আলু ও আম চাষে বিশেষ সরকারি সাহায্য এবং কৃষকদের জন্য ফসলের ন্যায্য মূল্য সুনিশ্চিত করা হবে। কুইন্টাল প্রতি ৩,১০০ টাকা দরে ধান কেনার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। আলুচাষিদের জন্য কোল্ড স্টোরেজের ব্যবস্থা করা হবে। প্রতি ব্লকে ব্লকে আলু ও আমের জন্য কোল্ড স্টোরেজ তৈরি করা হবে। যেখানে আলু বেশি উৎপাদন হয় সেখানে আলুর জন্য, যেখানে আম বেশি হয় - সেখানে আমের জন্য। এছাড়াও, রাজ্যের প্রতিটি মৎস্যজীবীকে 'প্রধানমন্ত্রী মৎস্য সম্পদ যোজনা'র অধীনে নথিভুক্ত করা হবে। অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে পশ্চিমবঙ্গকে একটি শীর্ষস্থানীয় শিল্প কেন্দ্র এবং দেশের অন্যতম প্রধান মাছ রপ্তানিকারক রাজ্যে উন্নীত করা হবে। রাজ্যে ধান উৎপাদন বাড়ানো হবে। পাশাপাশি বাড়ানো হবে দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্যসামগ্রীর উৎপাদন।

এই বিষয়ে অমিত শাহ বলেন,"ধান,আলু ও আম চাষে কৃষকদের যাতে তাঁদের উৎপাদনের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত হয়, সেজন্য আমরা একটি বিশেষ পরিকল্পনা আনব,যাতে আলু, ধান ও আম চাষিদের কোনো অসুবিধা না হয়।"

উত্তরবঙ্গে নজর

পুরনো চা বাগানগুলির উন্নয়ন, দার্জিলিং চা-এর বিশ্বজনীন ব্র্যান্ডিং এবং পাটশিল্পের আধুনিকীকরণ করা হবে। পুরানো চা বাগানগুলিকে পুনর্জীবন এবং দার্জিলিংয়ের চা কে বিশ্ব বাজারে তুলে ধরার জন্য একটা কমিটি তৈরি করা হবে। চা বাগানের শ্রমিকদের জন্য বিশেষ বন্দোবস্ত করা হবে। চা-বাগানের শ্রমিকদের জমির পাট্টা দেওয়া হবে। সরকার গঠনের ১০০ দিনের মধ্যেই একটি নির্দিষ্ট রোডম্যাপ নিয়ে আসা হবে। আগামী ১ বছরের মধ্যে চা বাগানের উন্নতি হবে। রোজগারের জন্য সিঙ্গুরে একটি উদ্যোগী পার্ক তৈরি করা হবে, যেখানে ৫০ শতাংশ জমি MSME এর জন্য রিজার্ভ করা হবে এবং বাকি ৫০ শতাংশে বড় শিল্প গড়ে তোলা হবে!