2026 West Bengal Legislative Assembly election: পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনে ভোটগ্রহণের এক মাসও বাকি নেই। রাজ্যজুড়ে শাসক ও বিরোধী দলগুলির মধ্যে লড়াই তুঙ্গে উঠেছে। এরই মধ্যে বনগাঁ দক্ষিণ কেন্দ্রে শাসক দলের প্রার্থীর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠল।

DID YOU
KNOW
?
ভুয়ো শংসাপত্রের অভিযোগ
বনগাঁ দক্ষিণ কেন্দ্রে শাসক দলের প্রার্থীর বিরুদ্ধে ভুয়ো শংসাপত্র জমা দেওয়ার অভিযোগ।

West Bengal Elections 2026: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে (2026 West Bengal Legislative Assembly election) উত্তর ২৪ পরগনার বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী (Bangladesh Border) অঞ্চল বনগাঁ দক্ষিণ কেন্দ্রে তৃণমূল কংগ্রেস (AITC) প্রার্থী ভুয়ো শংসাপত্র দেখিয়ে ভোটে দাঁড়িয়েছেন। এই অভিযোগ তুলে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হলেন বনগাঁ দক্ষিণ কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক তথা এবারের প্রার্থী স্বপন মজুমদার। তাঁর দাবি, অবৈধ উপায়ে তপশিলি জাতি শংসাপত্র জোগাড় করেছেন তৃণমূল প্রার্থী ঋতুপর্ণা আঢ্য | তাঁরা তথ্যের অধিকার আইনে (RTI) প্রশ্ন করে জানতে পেরেছেন, তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থীর বাবা-মা এর আগে যখন ভোটে প্রার্থী হয়েছিলেন, তখন তাঁরা সাধারণ জাতিগত শংসাপত্র জমা দিয়েছিলেন ৷ তখন তাঁরা তপশিলি জাতি শংসাপত্র জমা দেননি। ঋতুপর্ণার বাবার নাম শঙ্কর আঢ্য এবং মায়ের নাম জোৎস্না আঢ্য। অভিযোগ, তাঁরা মহকুমা শাসককে প্রভাবিত করে একদিনের মধ্যে মেয়ের জন্য শংসাপত্র বের করেছেন।

শাসক দলের প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিলের দাবি

এ বিষয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করার পাশাপাশি বনগাঁ দক্ষিণ কেন্দ্রের বিধায়ক নির্বাচন কমিশনেও (Election Commission of India) লিখিতভাবে অভিযোগ দায়ের করেছেন বলে জানিয়েছেন। ঋতুপর্ণার মনোনয়ন বাতিলের দাবিও জানিয়েছেন স্বপন ৷ পাশাপাশি তাঁর অভিযোগ, ২০১০ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত বনগাঁ পৌরসভার চেয়ারম্যান ছিলেন জোৎস্না আঢ্য এবং শঙ্কর আঢ্য ৷ পৌরসভার চেয়ারম্যান থাকাকালীন প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার (Pradhan Mantri Awas Yojana) ১৯ কোটি টাকা তাঁরা আত্মসাৎ করেছিলেন। এছাড়া জল প্রকল্পে ৯৮ কোটি টাকা দুর্নীতি হয়েছে। সেই দুর্নীতিতে ওই দু'জন জড়িত। ইতিমধ্যেই স্বপন এই দুর্নীতি নিয়ে হাইকোর্টে অভিযোগ দায়ের করেছেন ৷

অভিযোগ অস্বীকার শঙ্কর আঢ্যর

এ বিষয়ে শঙ্কর আঢ্য বলেন, '১৫-১৬ বছর ধরে স্বপনবাবু কি ঘুমিয়ে ছিলেন? ঋতুপর্ণা যখন প্রার্থী হয়েছে এবং জনসমর্থন যখন তার দিকে ঝুঁকে পড়েছে তখন এইসব মিথ্যে অভিযোগ তুলে মানুষের দৃষ্টি ঘোরাতে চাইছে ৷ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেপ্রণোদিতভাবে প্রাপ্তিকে কালিমালিপ্ত করার চক্রান্ত করা হচ্ছে। আইনের প্রতি আমাদের সম্পূর্ণ আস্থা আছে ৷'

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।