পেটিএম এ ১৬৮,০০০ টাকার প্রতারণার শিকার ব্যবসায়ী পরিবার।  ওই ব্যবসায়ী পরিবার পেটিএম এ অনলাইনে অ্যাপস ডাউনলোড করে তাতে ইন্ডাসইন্ড ব্যাঙ্কের ক্রেডিট কার্ডের ১০,০০০ টাকা জমা রাখেন। তারপর  পেটিএম থেকে জানানো হয়, জমা দেওয়া ওই ১০,০০০ টাকা ফেরৎ পেতে গেলে তাদেরকে কেওয়াইসি ফর্ম ফিলাপ করতে হবে। সেইমতো তারা নাম ঠিকানা জায়গা জানতে চায় এবং কেওয়াইসি ফর্ম ফিলাপ হয়ে গিয়েছে বলে জানায় পেটিএম সংস্থা, এমনটাই অভিযোগ ব্যবসায়ী পরিবারের।

আরও পড়ুন, উত্তরবঙ্গের কালিয়াগঞ্জে একই দিনে দু'বার গণধর্ষণ তরুণীকে, দক্ষিণবঙ্গের দত্তপুকুরেও লালসার শিকার যুবতী

 ব্যবসায়ী পরিবারের কাছে ফোন আসে বর্ষবরণের দিন, গত ৩১ ডিসেম্বর। বিকাল সাড়ে চারটের সময় প্রতারকের আজানায় গুগুল কুইক অ্যাপ ডাউনলোড করতে সেইমতো ব্যবসায়ী পরিবার অ্যাপস টি ডাউনলোড করেন। তারপর ব্যবসায়ী পরিবারের তরফে জানানো হয় যে, প্রতারকরা তাদের ইন্ডাসইন্ড ব্যাঙ্ক এর থেকেধাপে ধাপে টাকা কাটতে থাকে। এবং প্রতারণার শিকার হন ওই ব্যবসায়ী পরিবার। এই মুহূর্তে ওই পরিবার আশঙ্কায় যে, তাদের  গ্রিলের ছোট ব্যবসা এই টাকায় ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাবে এবার। ব্যবসায়ী সুদিপ্ত ঘোষ ও তার স্ত্রী অর্পিতা ঘোষ ইন্ডাসইন্ড ব্যাঙ্ক ক্রেডিট কার্ড করা ছিল। প্রতারকরা পেটিএম এ জিনিস কেনার জন্য এবং পেটিএম এ টাকা সরবরাহ করার জন্য ওই ইন্ডাস্ট্রি ব্যাঙ্কের ক্রেডিট কার্ড প্র্যাকটিস করে পেটিএম এর সঙ্গে।

আরও পড়ুন, বিকেলের পরে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রাজ্য়ে, তাপমাত্রা বাড়ল এক লাফে ৩ ডিগ্রি

ইতিমধ্য়েই পেটিএম-প্রতারণা  নিয়ে ওই ব্যবসায়ী পরিবার বিষ্ণুপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।  পাশাপাশি ৩১ তারিখে ইন্ডাসইন্ড ব্যাঙ্ক থেকে পরিবারের কাছে জানতে চাওয়া হয়, তারা অনলাইনে কোনও জিনিস কিনছে কিনা। কিন্তু ব্যবসায়ী পরিবার জানায় তারা কোন জিনিস কিনছেন না। তখন ইনভেস্ট ইন ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে ওই ব্য়বসায়ী পরিবারেদর সঙ্গে প্রতারণা চলছে। তখন পরিবার জানায় যে, তাদের কাছ থেকে পেটিএম কেওয়াইসি জানতে চাইছে। এরপর ইন্ডাসইন্ড ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয় যে, ঘোষ পরিবার প্রতারণার শিকার হয়েছেন এবং তাদের ক্রেডিট কার্ড ব্লক করা হয়েছে। এরপরেই ব্যবসায়ী পরিবার  বিষ্ণুপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। লালবাজারে ক্রাইম ব্রাঞ্চে তাঁরা অভিযোগ জানিয়েছেন।  পরিবারের অভিযোগ, যে তারা একশো ভাগ নিশ্চিত যে প্রতারকদের সঙ্গেই পেটিএম সম্পূর্ণভাবে যুক্ত এবং এইভাবে গ্রাহকদের টাকা আত্মসাৎ করছে পেটিএম। তবে এখনো পর্যন্ত হতাশার মধ্যে আছে ওই পরিবার। তাদের পাশে এখনো পর্যন্ত কেউ নেই দিন গুনছে আদৌ কি তারা টাকা ফিরে পাবে প্রশ্নচিহ্ন থেকেই যাচ্ছে।