আতঙ্কের নাম করোনা ভাইরাস। উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জে এবার দোল উৎসবে চিনের পণ্য বয়কট করার সিদ্ধান্ত নিলেন ব্যবসায়ীরা। তবে রঙ বা আবীর থেকে সংক্রমণের ভয় নেই বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

শুরুটা হয়েছিল চিনে। কিন্তু এখন করোনা ভাইরাসের আতঙ্ক ছড়িয়ে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে। বাদ নেই ভারতও। এদেশে এখনও পর্যন্ত মারণ রোগে আক্রান্ত হয়েছে  ৩০ জন। করোনা ভাইরাস এ রাজ্যেও ঢুকে পড়বে না তো? উদ্বেগ বাড়ছে প্রশাসনের। পরিস্থিতি মোকাবিলায় সমস্ত হাসপাতালকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্যদপ্তর। বস্তুত, জ্বর ও কাশির উপসর্গ নিয়ে বৃহস্পতিবার কলকাতার বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন মেদিনীপুরের এক যুবক। দোলের আগে আতঙ্ক ছড়িয়েছে উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জেও। 

আরও পড়ুন: গরমকালে রক্তের সঙ্কট কমবে এবার, ১৮ হাজার বোতল রক্ত সংগ্রহের লক্ষ্য়ে অভিযান স্বাস্থ্য় দফতরের

আর মোটে দিন দুয়েকের অপেক্ষা। সোম ও মঙ্গলবার দোল উৎসব। পিচকারী, আবির, মুখোশ-সহ রং খেলার সামগ্রী নিয়ে রায়গঞ্জ শহরের বিভিন্ন প্রান্তে দোকান সাজিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। দোকানে ক্রেতাদের ভিড়ও হচ্ছে ভালোই। তবে করোনা ভাইরাসের আতঙ্কে বিক্রি কিছুটা কমেছে। অন্তত তেমনই দাবি করেছেন ব্যবসায়ীরা। জানা গিয়েছে, প্রতিবছরই দোলের সময়ে চিন থেকে পিচকারী-সহ বিভিন্ন সামগ্রী আসে রায়গঞ্জে। কিন্তু পরিবর্তিত পরিস্থিতি এবার আর ঝুঁকি নিতে রাজি নন ব্যবসায়ীরা। চিনা পণ্য বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা।

আরও পড়ুন: দোলে নকল হইতে সাবধান, কীভাবে চিনবেন ভেষজ আবির

পরিস্থিতি ঠিক কতটা উদ্বেগজনক? সাধারণ মানুষকে অযথা আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন রায়গঞ্জের বিশিষ্ট চিকিৎসক জয়ন্ত ভট্টাচার্য। তাঁর বক্তব্য, ভারতে যাঁরা এই রোগে আক্রান্ত হয়েছেন, তাঁরা সকলেই বাইরে থেকে এসেছেন। রং বা আবীর মাখলে করোনা ভাইরাসের আক্রান্ত হওয়ার কোনও সম্ভাবনা নেই।