বিশ্বকর্মা পুজোয় উত্তস্বরে মাইক বাজানোর প্রতিবাদ করেছিলেন এক স্বাস্থ্যকর্মী। তার জেরে স্থানীয় বাসিন্দাদের ক্রমাগত হুমকিতে কার্যত তাঁকে বাড়ি ছাড়া হতে হল বলে অভিযোগ। শুধু তাই নয়, ওই নার্সিং স্টাফের বাড়িতে এসেও স্থানীয় যুবকরা হুমকি দেয় বলে অভিযোগ। স্থানীয় কাউন্সিলরের মদতেই এই ঘটনা বলে দাবি ওই করোনা যোদ্ধার। শেষমেষ আতঙ্কে পরিবারকে সঙ্গে নিয়ে ঘরছাড়া ওই নার্সিং স্টাফ।

আরও পড়ুন-প্রতিবেশী যুবকের প্রেমে 'অন্তস্বঃত্ত্বা' কিশোরী, মেয়েকে পিটিয়ে মারল বাবা

চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে রাজপুর-সোনারপুর পুরসভার সাত নম্বর ওয়ার্ডে। জানাগেছে, এলাকার বাসিন্দা এনআরএস হাসপাতালের নার্সিং স্টাফ মিঠু দাস বিশ্বকর্মা পুজোর দিন উচ্চস্বরে মাইক বাজানোর প্রতিবাদ করেছিলেন। তাঁর ছেলের অনলাইনে ক্লাস চলায় সমস্যা হচ্ছিল বলে প্রতিবাদ জানান তিনি। এরপরই, পাড়ার কয়েকজন যুবক তাঁর বাড়িতে এসে হুমকি দিয়ে যায় বলে অভিযোগ। তাঁকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয় বলেও দাবি ওই নার্সিং স্টাফের।

আরও পড়ুন-স্টেশনের প্লাটফর্ম থেকে যুবকের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধারে রহস্য, খুনের অভিযোগ পরিবারের

ঘটনার জেরে ১৯ সেপ্টেম্বর নরেন্দ্রপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। পুলিশ স্থানীয় যুবকদের সাবধান করে চলে যায়। এরপর, এলাকার কাউন্সিলরকে সঙ্গে নিয়ে স্থানীয় যুবকরা তাঁর বাড়িতে ঢুকে ফের গালিগালাজ করে বলে অভিযোগ।এই ঘটনা লাগাতার চলতে থাকায় আতঙ্কে পরিবার সহ ঘরছাড়া ওই নার্সিং স্টাফের পরিবার।

আরও পড়ুন-আজই কাটবে পরীক্ষার জটিলতা, সোমবার সব কলেজের প্রিন্সিপালের সঙ্গে CU-র বৈঠক

করোনা ভাইরাসের আবহে একজন করোনা যোদ্ধাকে এইভাবে হেনস্থার ঘটনার বিস্মিত অনেকেই। যদিও, তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ওই কাউন্সিলর। পাশাপাশি, তাঁর বাড়িতে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারাও।