আবহাওয়া দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে বুলবুল। স্থলভাগে আছড়ে পড়ার সময় তার গতিবেগ থাকবে ঘন্টায় ১২০ থেকে ১৩৫ কিলোমিটার। স্থলভূমির আঘাত হানার পর থেকে রবিবার সকাল থেকে প্রভাব কমতে শুরু করবে বুলবুলের। অত্যন্ত শক্তিশালী বুলবুল উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল এবং পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের উপর দিয়ে এই ঘূর্ণিঝড় তীব্র হয়ে উত্তর দিকে অগ্রসর হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

আরও খবর- ঘূর্ণিঝড় বুলবুল শক্তিশালী হচ্ছে ক্রমশ, শনিবার ৭ জেলার সব স্কুলের ছুটি ঘোষণা করল রাজ্য সরকার

এদিন সকালে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর উপকূল পেরিয়ে ওড়িশার পারাদীপ  প্রায় ১১০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে এবং সাগর দ্বীপপুঞ্জের ১৯০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং বাংলাদেশের খেপুপাড়ার দক্ষিণ-পশ্চিমে .৪০ কিলোমিটার বেগে অগ্রসর হওয়ার আশঙ্কা আছে। সন্ধ্যের দিকে উত্তর-পূর্ব দিকে  এবং পশ্চিমবঙ্গ উপর দিয়ে ১১০-১২০ কিলোমিটার বেগে তীব্র ঘূর্ণিঝড় অতিক্রম করার সম্ভাবনা রয়েছে। সঙ্গে রয়েছে ওড়িশা ও পশ্চিমবঙ্গে রয়েছে ভারি বৃষ্টির সম্ভাবনাও। 

আরও পড়ুন- স্থলভাগে আঘাত হানার আগে আরও শক্তিশালী বুলবুল, দাপট থাকবে রবিবার পর্যন্ত

এদিকে বুলবুল ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে প্রায় শুনশান দীঘা। শনিবার সকাল থেকেই শুরু হয়েছে ঝোড়ো হাওয়া তার সঙ্গে বৃষ্টি। পর্যটকদের অভাবে দোকানপাট বন্ধ হয়ে গিয়েছ। রাস্তায় যানবাহন চলাচল প্রায় নেই বললেই চলে। ইতিমধ্যেই ঝড়ে ভেঙে গিয়েছে বেশ কয়েকটি দোকান। প্রশাসনের তরফ থেকে নজরদারি চালানো হচ্ছে। দীঘা থেকে পর্যটকরা বাড়ী দিকে রওনা দিলেও বেশ কিছু উৎসাহী পর্যটক দীঘাতে এসেছে বুলবুল ঘূর্ণিঝড় দেখার জন্য।