কথায় বলে সাপের পাঁচ পা। কিন্তু এ যে চারপেয়ে মুরগি ছানা! ঘটনায় রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে পুরুলিয়ার বাগমুন্ডিতে। মুরগির ছানাটিকে দেখতে গ্রামে ভিড় জমাচ্ছেন অনেকেই। 

কী ব্যাপার? পুরুলিয়ার বাগমুন্ডির লালডি গ্রামে থাকেন দিলীপ গোপ। বাড়িতে পোলট্রি করেছেন তিনি। মুরগির সংখ্যা আরও বাড়ানোর জন্য ন'টি ডিম পোলট্রিতে রেখে দিয়েছিলেন তিনি। মুরগির ছানা হয়েছে ছ'টি ডিম থেকে। বাকিগুলি স্বাভাবিক। কিন্তু দেখা যায়, একটি  ছানার চারটি পা রয়েছে! ঘটনাটি জানাজানি হতেই হুলুস্থুলু পড়ে গিয়েছে এলাকায়। অদ্ভূদর্শন ওই মুরগির ছানাটি দেখতে দিলীপের বাড়িতে ভিড় জমাচ্ছেন বহু মানুষ। অতি উৎসাহী কেউ কেউ আবার মোবাইলে ছবিও তুলছেন। এই ঘটনা নাকি ভগবানের লীলা। তেমনটাই বিশ্বাস স্থানীয় বাসিন্দাদের। কিন্তু, সত্যি কি তাই? বিশিষ্ট পশু চিকিৎসক তুষারকান্তি চক্রবর্তীর বক্তব্য,  মুরগি ছানাটির পা আসলে দুটিই। বাকি যে দুটি অংশকে পা বলা হচ্ছে, সেগুলিকে পরিভাষায় বলে ইনফোরমিটি বা বিকলাঙ্গত্ব।  জিনগত সমস্যার কারণে পশু-পাখি, এমনকি মানুষের শরীরেও এমন বিকৃতি ঘটে। 

আরও পড়ুন: খড়গপুর আইআইটি থেকে লোপাট হচ্ছে কুকুর, পুলিশে অভিযোগ স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার

উল্লেখ্য, দিন কয়েক আগে এক চোখওয়ালা কুকুরকে নিয়ে শোরগোল পড়েছিল নেটদুনিয়া। সারমেয়টির ছবি ভাইরাল হয়ে গিয়েছিল সোশ্যাল মিডিয়ায়। ছবিতে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে, চোখের একটি সম্পূর্ণ গঠিত হলেও, আর একটি সুগঠিত নয়।  জানা যায়, কুকুর ছানাটির মা অস্পিন প্রজাতির। এই প্রজাতির কুকুর সাধারণত ফিলিপাইন্সে দেখা পাওয়া যায়।  কিন্তু এক চোখওয়ালা ওই কুকুর ছানাটি জন্মেছে থাইল্যান্ডে। তবে শারীরিক বিকৃতির কারণে কুকুরছানাটি বেশিদিন বাঁচবে না বলে জানিয়েছেন পশু চিকিৎসকরা।