সিভিক ভলান্টিয়ারদের নিয়ে বড় নির্দেশ দিল ভারতের নির্বাচন কমিশন। তারা জানিয়ে দিয়েছে, বিধানসভা ভোটের ডিউটিতে সিভিক ভলান্টিয়ারদের ব্যবহার করা যাবে না। এই সংক্রান্ত একটি লিখিত নির্দেশিকা জারি করেছে কমিশন। সেই নির্দেশিকায় রাজ্যের সব জেলার এসপি এবং পুলিশ কমিশনারদের জানানো হয়েছে, ভোট সংক্রান্ত কোনও ডিউটিতে কোনও অবস্থাতেই সিভিকদের রাখা যাবে না।

সিভিক ভলান্টিয়ারদের নিয়ে বড় নির্দেশ দিল ভারতের নির্বাচন কমিশন। তারা জানিয়ে দিয়েছে, বিধানসভা ভোটের ডিউটিতে সিভিক ভলান্টিয়ারদের ব্যবহার করা যাবে না। এই সংক্রান্ত একটি লিখিত নির্দেশিকা জারি করেছে কমিশন। সেই নির্দেশিকায় রাজ্যের সব জেলার এসপি এবং পুলিশ কমিশনারদের জানানো হয়েছে, ভোট সংক্রান্ত কোনও ডিউটিতে কোনও অবস্থাতেই সিভিকদের রাখা যাবে না। কোনও রাজনৈতিক দলের হয়ে সিভিক ভলান্টিয়াররা কাজ করছেন, এমন কিছু নজরে এলে কড়া শাস্তির মুখে পড়তে হবে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

তৎপর পুলিশ

কমিশনের এই নির্দেশ আসার পরেই কলকাতার ডিসি (হোমগার্ড) শনিবার কলকাতা পুলিশের সমস্ত ডিভিশনের ডিসি এবং ইউনিটের কর্তাদের জানিয়ে দিয়েছে যে, ভোটের কাজে সিভিকদের রাখা যাবে না। জানা গিয়েছে, সম্প্রতি ভোট প্রস্তুতি ও রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি রাজ্যের সব জেলার ডিএম, এসপি এবং কলকাতার সিপির সঙ্গে কমিশনের বৈঠক হয়। সেই বৈঠকেই সিভিকদের নিয়ে আলোচনা হয়। তারপরই এই সংক্রান্ত ১৩ দফা লিখিত নির্দেশিকা জারি করেছে কমিশন।

এছাডা়ও, থানার ওসি ও রিটানিং অফিসারদের একটি রিজার্ভ তালিকা তৈরি রাখতে জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের বলেছে কমিশন। যাতে বর্তমান থানার ওসি ও রিটানিং অফিসারদের বদলি করা হলে, যাতে দ্রুত নতুন অফিসার ওই পদে নিয়োগ করা যায়। অবসরপ্রাপ্ত কোনও পুলিশ অফিসার বা সিভিল অফিসার নির্বাচন সংক্রান্ত কোনও কাজে এখনও যুক্ত থাকেন, তবে অবিলম্বে তাঁদের ওই পদ থেকে সরিয়ে দিতে হবে।

চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের ভোটের কাজে যুক্ত করা যাবে না

সম্প্রতি, কমিশন জানিয়ে দিয়েছে যে আসন্ন বিধানসভা ভোটের আগে চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের ভোটের কাজে যুক্ত করা যাবে না। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর থেকে সব জেলার নির্বাচন আধিকারিকদের স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কোনওভাবেই চুক্তিভিত্তিক কর্মী বা অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের ভোটের কাজে নিযুক্ত করা যাবে না। স্থায়ী সরকারি কর্মী বা কেন্দ্রীয় সংস্থার কর্মীদের দিয়েই পোলিং পার্সোনেল গঠন করতে হবে। ভোটের কাজে কেউ চুক্তিভিত্তিক কর্মী নিয়োগ করলে তাঁকে শো–কজ় ও প্রয়োজনে আরও কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যাদের ভোটের কাজে নিয়োগ করা হচ্ছে তাঁরা যে সরকারি দপ্তরের স্থায়ী কর্মী, সেটা জানিয়ে আগামী ৩০ মার্চের মধ্যে মুচলেকা দিতে হবে ডিইও–দের।