বীরভূমে করোনা আক্রান্ত তিনজন সংক্রমণ ঠেকাতে পদক্ষেপ প্রশাসনের কোয়ারেন্টাইনে সিভিক ভলান্টিয়াররাও আক্রান্তেরা ভর্তি দূর্গাপুরের হাসপাতালে

মুম্বই থেকে করোনা নিয়ে ফিরেছেন। বীরভূমের আক্রান্ত তিনজনকে ভর্তি করা হল দুর্গাপুরের একটি হাসপাতালে। যাঁরা দেখভালের দায়িত্ব ছিলেন, সেই সিভিক ভলান্টিয়ার, অ্যাম্বুল্যান্স চালক-সহ ২৫ জন পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে তারাপীঠে, কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে। একদা গ্রিন জোনে সংক্রমণ ঠেকাতে তৎপর জেলা প্রশাসন।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

আরও পড়ুন: লকডাউনে করোনা আক্রান্তের সঙ্গেই মদ্যপান, সাত বন্ধু পরিবার সহ ৪০ জন কোয়ারেন্টিনে

ঘটনার সূত্রপাত লকডাউন জারি হওয়ার আগে। বীরভূমের ময়ুরেশ্বরের মহুয়াপুর ও বানাসপুর গ্রাম থেকে তিনজন ক্যানসারের চিকিৎসা করাতে যান মুম্বই-এ। লকডাউনের মাঝেই অ্যাম্বুল্যান্স ভাড়া করে যে তাঁরা ফিরছেন, তা জানতেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের তৎপরতাতেই মুম্বই ফেরত ওই তিনজনের সন্ধান পায় পুলিশ। সকলেই নিয়ে নিয়ে গিয়ে রাখা হয় ময়ুরেশ্বর এক নম্বর ব্লকের কিষাণমাণ্ডিতে। লালারস সংগ্রহ করে পাঠানো হয় মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। বৃহস্পতিবার রাতে তিনজনেরই করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসে। ঘটনাটি জানাজানি হতেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে জেলার সর্বত্রই। শেষপর্যন্ত করোনা আক্রান্তের চিকিৎসার জন্য দুর্গাপুরের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হল। 

আরও পড়ুন: এনআরএস-এ ৮ জনের শরীরে করোনা, আক্রান্তদের ৬ জন স্ত্রী রোগ বিভাগে ভর্তি

আরও পড়ুন: করোনায় আক্রান্ত নিউটাউনের অ্যাম্বুলেন্স-অ্যাসিস্ট্যান্ট, সংক্রমন রুখতে গোটা এলাকা সিল করল পুলিশ

জানা গিয়েছে, কিষাণমণ্ডিতে থাকাকালীন ওই তিনজনের দেখভালের দায়িত্বে ছিলেন ২০ জন সিভিক ভলান্টিয়ার, দু'জন সাফাইকর্মী ও বিডিও অফিসের এক আধিকারিকরা। তাঁদের তো বটেই, অ্যাম্বুল্যান্সের চালক এবং যিনি খাবার দিতেন, তাঁকেও পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে। খুব প্রয়োজন ছাড়া ময়ুরেশ্বরের মল্লারপুর এলাকায় কাউকে ঢুকতে বা বেরোতে দেওয়া হচ্ছে না। এমনকী, রামপুরহাট শহরে বেশ কয়েকটি ওয়ার্ডে রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছে প্রশাসন।