আশিষ মণ্ডল, বীরভূম: হাসপাতালে আর কোনও শয্যা খালি নেই। বাড়িতেই চিকিৎসার চলছে করোনা রোগীর! অসুস্থতা যদি বাড়ে, সেক্ষেত্রে থানায় ফোন করার পরামর্শ দিয়েছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমের রামপুরহাটে।

আরও পড়ুন: ফের শুরু হবে মিড ডে মিল বিলি, আগেই স্যানিটাইজেশনের প্রক্রিয়া চালু স্কুলে

যতদিন যাচ্ছে, করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে বীরভূমে। আক্রান্তের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি রামপুরহাট মহকুমায়। বস্তুত, শুক্রবারই ২২ জনের করোনা সংক্রমণ ধরা পড়েছে। সূত্রের খবর, রামপুরহাট ১ ও ২ নম্বর ব্লকে চার জন, ময়ূরেশ্বর ১ নম্বর ব্লকের ১, ২ নম্বর ব্লকে ২ জন, নলহাটি ১ নম্বর ব্লকে ১ এবং ২ নম্বর ৮ জন সংক্রমিত হয়েছেন। করোনা আক্রান্তের হদিশ মিলেছে মুরারই ১ ও ২ নম্বর ব্লকেও।

জানা গিয়েছে, রামপুরহাট ২ নম্বর ব্লকের হাঁসন ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা থেকে মুম্বই-এ পরিযায়ী শ্রমিকের কাজ করতে গিয়েছিলেন এক ব্যক্তি। দিন কয়েক আগে লরি ভাড়া করে ফেরেন বাড়িতে। প্রথমে স্থানীয় একটি কিষাণমান্ডিতে, ও পরে লালারস সংগ্রহ করার পর একটি স্কুলে রাখা হয় তাঁকে। ওই পরিযায়ী শ্রমিকের করোনা পজিটিভি রিপোর্ট এসেছে। আক্রান্তকে কিন্তু হাসপাতালে ভর্তি করা হয় না। অভিযোগ তেমনই। মুম্বই ফেরত ওই ব্যক্তির দাবি, মাড়গ্রাম থানার পুলিশ ফোন করে তাঁকে আপাতত চারদিন বাড়ির বেরোতে বারণ করেছে।  যদি অসুস্থ হয়ে পড়েন? সেক্ষেত্রে থানার ফোন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। 

আরও পড়ুন: জামাইষষ্ঠীতেও করোনা কাঁটা, ঢেড়া পিটিয়ে জামাইয়ের 'ইনকামিং- আউটগোয়িং' বন্ধ করল গ্রাম

আরও পড়ুন: মহারাষ্ট্র থেকে ফেরার পথে বাসেই মৃত্যু পরিযায়ী শ্রমিকের, আতঙ্কে পশ্চিম মেদিনীপুর

বোলপুরে  তো ছিলই, দিন কয়েক আগে রামপুরহাটেও করোনা রোগীদের চিকিৎসার জন্য় নতুন একটি হাসপাতাল চালু হয়েছে। তাহলে সংক্রমিত পরিযায়ী শ্রমিককে কেন বাড়িতে রাখা হল? জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের এক আধকারিক জানিয়েছেন, বোলপুরের হাসপাতালে একটি শয্যা খালি নেই। একই অবস্থা রামপুরহাটের হাসপাতালেও! ফলে বাধ্য হয়েই পজিটিভি রিপোর্ট আসার পর অনেকেই বাড়িতে থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।