- Home
- West Bengal
- DA মামলা: সুপ্রিম কোর্টে জমা পড়া ইন্দু মালহোত্রা কমিটির ৩য় রিপোর্টে কী রয়েছে? জানলে চমকে উঠবেন
DA মামলা: সুপ্রিম কোর্টে জমা পড়া ইন্দু মালহোত্রা কমিটির ৩য় রিপোর্টে কী রয়েছে? জানলে চমকে উঠবেন
DA 3rd Report: বকেয়া ডিএ মামলায় সুপ্রিম কোর্টে জমা পড়ল ইন্দু মালহোত্রা কমিটির তৃতীয় অন্তর্বর্তী রিপোর্ট। শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী ও গ্রান্ট-ইন-এইড কর্মীদের দাবির উল্লেখ নেই বলে ক্ষোভ। রিপোর্টে কী রয়েছে, জানুন।

বকেয়া ডিএ নিয়ে ক্ষোভ কাটছে না
আর কত বঞ্চনা সইতে হবে? বকেয়া ডিএ না পেয়ে রাজ্যের বহু সরকারি কর্মী এখন এই প্রশ্নই তুলছেন। দীর্ঘদিন ধরে আইনি লড়াই চললেও সমস্যার পুরোপুরি সমাধান হয়নি। ফলে কর্মীদের মধ্যে হতাশা ও অসন্তোষ ক্রমেই বাড়ছে।

কারা টাকা পেলেন, কারা বাদ
অভিযোগ, কিছু সংখ্যক সরকারি কর্মী এবং পেনশন প্রাপক বকেয়া টাকা হাতে পেয়েছেন। কিন্তু শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী ও গ্রান্ট-ইন-এইড কর্মীদের কপাল খোলেনি। একই মামলার সুবিধা কেউ পাচ্ছেন, কেউ পাচ্ছেন না। এই বৈষম্যই তাঁদের ক্ষোভের বড় কারণ।
সুপ্রিম কোর্টে জমা পড়ল তৃতীয় অন্তর্বর্তী রিপোর্ট
বকেয়া ডিএ মামলায় সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে গঠিত মনিটরিং কমিটি তৃতীয় অন্তর্বর্তী রিপোর্ট জমা দিয়েছে। কমিটির নেতৃত্বে রয়েছেন প্রাক্তন বিচারপতি ইন্দু মলহোত্রা। মামলার অগ্রগতির জন্য এই রিপোর্ট গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছিল। কিন্তু রিপোর্টের বিষয়বস্তু সামনে আসতেই নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।
রিপোর্টে দাবির উল্লেখ নেই, ক্ষুব্ধ সংগঠনগুলি
শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী ও গ্রান্ট-ইন-এইড কর্মীদের সংগঠনের অভিযোগ, তাঁদের দাবির কোনও উল্লেখই রিপোর্টে নেই। এতে সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলির মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়েছে। তাঁদের বক্তব্য, এত বড় অংশের কর্মীকে বাদ রেখে মামলার কোনও রিপোর্টকেই সম্পূর্ণ বলা যায় না।
নথি চেয়েও কেন প্রতিফলন নেই, প্রশ্ন কর্মীদের
কর্মী সংগঠনগুলির দাবি, রিপোর্ট তৈরির আগে বিভিন্ন কর্মচারী ও শিক্ষক সংগঠনের কাছ থেকে তথ্য ও নথি চাওয়া হয়েছিল। সেগুলি বিবেচনার আশ্বাসও দেওয়া হয়েছিল। তাঁরা প্রয়োজনীয় সব নথি জমা দিলেও চূড়ান্ত রিপোর্টে তার প্রতিফলন দেখা যায়নি। এই কারণেই তাঁদের মনে প্রশ্ন, তাহলে নথি চাওয়ার উদ্দেশ্য কী ছিল?
রাজ্যের হিসাবেও গ্রান্ট-ইন-এইড কর্মীরা বাদ, অভিযোগ
সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, নজরদারি কমিটির কাছে রাজ্য সরকারের জমা দেওয়া তৃতীয় অন্তর্বর্তী রিপোর্টে অনুদানভুক্ত কর্মীদের বকেয়ার হিসাব অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। এটি অভিযোগ আকারেই সামনে এসেছে। আদালতের নথি ও সরকারি নথি যাচাই না করে এর সত্যতা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।
৪২ হাজার কোটি থেকে ৮,১০৩ কোটিতে, বিপুল পার্থক্য নিয়ে প্রশ্ন
অভিযোগকারীদের দাবি, এর আগে সুপ্রিম কোর্টে রাজ্য সরকার প্রায় ৪২ হাজার কোটি টাকার হিসাব জমা দিয়েছিল। তাতে গ্রান্ট-ইন-এইড কর্মীদের হিসাবও ছিল বলে দাবি। এখন সেই অঙ্ক কমে ৮,১০৩ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে বলে তাঁদের বক্তব্য। এত বড় ফারাক কীভাবে হল এবং অনুদানভুক্ত কর্মীরা কেন বাদ পড়লেন, তা নিয়েই এখন প্রশ্ন উঠছে।
কোন কোন ক্ষেত্রের কর্মীরা রয়েছেন এই তালিকায়
গ্রান্ট-ইন-এইড কর্মীরা শুধু শিক্ষা ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ নন। শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর পাশাপাশি পঞ্চায়েত, পুরসভা, বোর্ড ও কর্পোরেশন-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে কর্মরত অনেকে এর আওতায় পড়েন। তাঁদের সকলের বকেয়া ডিএর হিসাব স্পষ্ট করার দাবি উঠেছে। ফলে বিষয়টির প্রভাব অনেক বড় পরিসরে পড়তে পারে।
কর্মীদের মূল দাবিগুলি কী
সর্বভারতীয় মূল্যসূচক এবং ষষ্ঠ বেতন কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী বকেয়া ডিএ প্রদানের দাবি জানানো হয়েছে। এছাড়া দাবি উঠেছে অনুদানভুক্ত কর্মীদের বকেয়ার আলাদা ও স্বচ্ছ হিসাব প্রকাশের। নজরদারি কমিটির নিয়মিত বৈঠকেরও দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। এই বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টে আদালত অবমাননার মামলা দায়ের হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।
নজর ১৮ ডিসেম্বরের বৈঠকে
জানা গিয়েছে, আগামী ১৮ ডিসেম্বর কলকাতায় নজরদারি কমিটির বৈঠক হওয়ার কথা। তার আগে গ্রান্ট-ইন-এইড কর্মীদের বকেয়া ডিএর হিসাব ও রিপোর্টে তাঁদের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা চেয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মীরা। রিপোর্টে ঠিক কী আছে এবং হিসাবের পার্থক্যের আসল কারণ কী, তা নিশ্চিত করতে সরকারি ও আদালতের নথি যাচাই করা জরুরি। এখন সবার নজর ওই বৈঠকের দিকে।
West Bengal News (পশ্চিমবঙ্গের খবর): Read In depth coverage of West Bengal News Today in Bengali including West Bengal Political, Education, Crime, Weather and Common man issues news at Asianet News Bangla.







