ED Shantanu Sinha Biswas Raid: বৃহস্পতিবার সকালে, কেন্দ্রীয় এজেন্সির দফতরে গিয়ে আত্মসমর্পণ শান্তনু। এরপর কলকাতার সিজিও কমপ্লেক্সে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে ইডি। প্রায় ১০ ঘণ্টার উপর জেরা করা হয় শান্তনুকে। তারপর রাতে তাঁকে গ্রেফতার করল ইডি। জানা যাচ্ছে, শুক্রবার কলকাতা পুলিশের ডিসিপি শান্তনু সিংহ বিশ্বাসকে আদালতে পেশ করানো হবে।

ED Shantanu Sinha Biswas Raid: ইডির হাতে গ্রেফতার দীর্ঘদিন হাজিরা না দিয়ে বেপাত্তা থাকা শান্তনু (ED Shantanu Sinha Biswas Raid)। কলকাতা পুলিশের ডিসিপি শান্তনু সিংহ বিশ্বাসকে গ্রেফতার করল ইডি। সোনা-পাপ্পু মামলায় এবার তাঁকে হেফাজতে নিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (shantanu sinha biswas arrest)। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

কলকাতা পুলিশের ডিসিপি শান্তনু সিনহা বিশ্বাস গ্রেফতার

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার সকালে কেন্দ্রীয় এজেন্সির দফতরে গিয়ে আত্মসমর্পণ শান্তনু। এরপর কলকাতার সিজিও কমপ্লেক্সে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে ইডি। প্রায় ১০ ঘণ্টার উপর জেরা করা হয় শান্তনুকে। তারপর রাতে তাঁকে গ্রেফতার করল ইডি। জানা যাচ্ছে, শুক্রবার কলকাতা পুলিশের ডিসিপি শান্তনু সিংহ বিশ্বাসকে আদালতে পেশ করানো হবে।

উল্লেখ্য, সোনা-পাপ্পু মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কালীঘাট থানার প্রাক্তন ওসি শান্তনুকে একাধিকবার তলব করে ইডি। কিন্তু প্রতিবার তিনি হাজিরা এড়িয়ে যান বলে অভিযোগ ওঠে। তাঁর বাড়িতে তল্লাশিও চালানো হয়। ইডি সূত্রে জানা গেছে, শুধু সোনা পাপ্পু নয়! কলকাতা এবং দিল্লির দফতরে একাধিক মামলায় শান্তনুকে তলব করে কেন্দ্রীয় এজেন্সি। 

লুক আউট নোটিস জারি করা হয় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের তরফ থেকে

জানা গেছে, তার মধ্যে একটি মামলায় সমন পেয়ে তিনি কলকাতা হাইকোর্টেরও দ্বারস্থ হন। প্রসঙ্গত, গত মাসেই সোনা-পাপ্পুর মামলায় ফার্ন রোডে শান্তনুর বাড়িতে হানা দেয় ইডি। ভোর থেকে শুরু হয়ে রাত ২টো অবধি কলকাতা পুলিশের ডিসিপির বাড়িতে অভিযান চালান ইডির গোয়েন্দারা। যদিও সেই অভিযান চলাকালীন শান্তনুকে প্রকাশ্যে একবারও দেখা যায়নি। 

ঠিক তল্লাশির পরদিন, শান্তনু এবং তাঁর দুই ছেলে সায়ন্তন ও মণীশকে সিজিও কমপ্লেক্সে ডেকে পাঠায় ইডি। তবে সেইদিন তারা কেউ ইডির দফতরে যাননি। এমনকি, এপ্রিল মাসে শান্তনুকে বালি পাচার মামলার তদন্তেও তলব করে ইডি। সেইবারও তিনি যাননি।

তবে পরপর হাজিরা এড়ানোর জেরে শান্তনুর বিরুদ্ধে লুক আউট নোটিস জারি করা হয় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের তরফ থেকে। এরপর বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা নাগাদ, শান্তনু নিজেই সিজিও কমপ্লেক্সে পৌঁছে যান। দীর্ঘক্ষণ জেরা চলার পর, রাত ১০ টার একটু আগে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।