সরকারি হাসপাতালে 'চিকিৎসায় গাফিলতি' বৃদ্ধের মৃত্যুতে ক্ষোভ পরিবারের লোকেদের  তদন্ত চেয়ে সুপারের কাছে অভিযোগ দায়ের বীরভূমের রামপুরহাটের ঘটনা

আশিষ মণ্ডল, বীরভূম:  চিকিৎসা মেলেনি, উল্টে তাঁদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেছেন কর্তব্যরত চিকিৎসক ও নার্সরা! রোগী মৃত্যুর তদন্ত চেয়ে ডেপুটি সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করলেন মৃতের পরিবারের লোকেরা। ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমের রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

আরও পড়ুন: পরপর ২বার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল নদিয়ার বিস্তীর্ণ এলাকা, আতঙ্কে বাইরে বেরোল এলাকাবাসী

মৃতের নাম প্রশান্ত নন্দী। বাড়ি, রামপুরহাট থানার খরুন গ্রামে। শ্বাসকষ্ট ও অম্বলের উপসর্গ নিয়ে রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি হন সোমবার সন্ধ্য়ায়। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। মঙ্গলবার দুপুরে মারা যান তিনি। এরপর হাসপাতালে গেটের বাইরে জমায়েত করে ক্ষোভে ফেটে পড়েন পরিবারের লোকেরা। 

কেন? মৃতের ছেলে অভিজিৎ নন্দী বলেন, 'সোমবার রাতে ভর্তি হওয়ার পর মাত্র একবারই ডাক্তার দেখে গিয়েছিলেন। তারপর থেকে ডাক্তার বা নার্স কারও দেখা মেলেনি। বাবার সুগার ছিল না। অথচ হাসপাতাল থেকে বলা হচ্ছে, সুগার কমে যাওয়ার কারণে মৃত্যু হয়েছে। আমরা লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। সঠিক তদন্ত চাই।' বউমা মৌমিতা নন্দীর অভিযোগ আরও মারাত্বক। তিনি বলেন, 'হাসপাতালে নার্সরা বসে বসে মোবাইল ঘাঁটছে। কিন্তু রোগীর চিকিৎসা পরিষেবা নিয়ে কোন আগ্রহ নেই তাঁদের। বলতে গেলে মুখঝামটা খেতে হচ্ছে। কুকুর তাড়ানোর মতো ব্যবহার করছে।' তাঁর আক্ষেপ, 'শুনেছি চিকিৎসকরা ভগবান। কিন্তু শ্বশুরমশাইকে ভর্তি করার পর সেই ভগবানের দেখা পেলাম না।'

আরও পড়ুন: পরিকাঠামো ছাড়াই অনলাইনে পাঠ, রেডিও মারফত ক্লাস নেওয়ার চিন্তাভাবনা শুরু

এদিকে রোগীর পরিবারের লোকেরা যে চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন, সেকথা স্বীকার করে নিয়েছেন রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের সুপার সুস্মিত ভট্টাচার্য। তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।