Eviction in Kolkata: কোনও এলাকায় বেআইনি উচ্ছেদ, সিল বা অবৈধ নির্মাণ ভাঙার ক্ষেত্রে আগাম পরিকল্পনা করে এবং পুরসভার সঙ্গে সমন্বয় রেখে পুলিশকর্মী মোতায়েন করলে মসৃণভাবে কাজ করা সম্ভব হবে। সেইসঙ্গে, কর্মীদের সুরক্ষার বিষয়টিও নিশ্চিত কড়া যাবে।
Eviction in Kolkata: বেআইনি জবরদখল এবং নির্মাণ ভাঙার ক্ষেত্রে কোনও অশান্তি বরদাস্ত নয়! যেখানে সেখানে ঝামেলা পাকানো কিংবা আন্দোলন নয়। কলকাতায় উচ্ছেদ, সিল করা বা অন্য কোনও নির্মাণ ভাঙার ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলাসংক্রান্ত অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে যথেষ্ট তৎপর লালবাজার (Eviction in Kolkata)। এই ধরনের পরিস্থিতিতে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ এবং পুরসভার সঙ্গে পারস্পরিক সমন্বয় বজায় রাখতে ঠিক কী কী করতে হবে, তা জানিয়ে একটি নির্দেশিকা দিলেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দ। কার্যত, কড়া অবস্থান নিল লালবাজার। বুধবার, এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে (Kolkata police eviction drive)।
বেআইনি জবরদখল এবং নির্মাণ ভাঙার ক্ষেত্রে কোনও অশান্তি বরদাস্ত নয়!
কোনও এলাকায় উচ্ছেদ, সিল বা অবৈধ নির্মাণ ভাঙার ক্ষেত্রে আগাম পরিকল্পনা করে এবং পুরসভার সঙ্গে সমন্বয় রেখে পুলিশকর্মী মোতায়েন করলে মসৃণভাবে কাজ করা সম্ভব হবে। সেইসঙ্গে, কর্মীদের সুরক্ষার বিষয়টিও নিশ্চিত কড়া যাবে। সেইজন্য ৬টি বিষয়কে নির্দিষ্ট করে দেওয়ার পাশাপাশি এই সংক্রান্ত একটি চেকলিস্টও নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। প্রথমত আগাম খবর দিতে হবে। টিক কতজন পুলিশকর্মী প্রয়োজন, তা নিশ্চিত করা এবং কখন ও কী ধরনের কাজ হবে সেটা আগে থেকেই থানায় জানিয়ে রাখতে হবে। পুলিশ এবং পুরসভার আধিকারিকরা নির্দিষ্ট জায়গায় পৌঁছনোর সঙ্গে সঙ্গেই দেরি না করে কাজ শুরু করে দিতে হবে। তাহলে স্থানীয় বাসিন্দাদের জমায়েত এবং অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়ানো সম্ভব হবে।
কড়া অবস্থান নিল লালবাজার
উচ্ছেদ হওয়া হকাররা কী পাবেন পুনর্বাসন? কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী? | Suvendu Adhikari | Hawker Eviction
বেআইনি জবরদখল উচ্ছেদ, সিল করা বা কোনও অবৈধ নির্মাণ ভাঙার ক্ষেত্রে যুক্ত আধিকারিকরা নিজের নিজের দায়িত্ব এবং কীভাবে এই কাজ সম্পন্ন হবে, সেই বিষয়ে নিজেদের মধ্যে সমন্বয় রেখেই এগোবেন। যাতে কোনও সমস্যা তৈরি না হয়। এক্ষেত্রে সেই এলাকার আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব থাকবে পুলিশের কাঁধে। তাই পর্যাপ্ত পরিমাণ পুলিশকর্মী মোতায়েন করার জন্য আগে থেকেই প্রস্তুতির প্রয়োজন রয়েছে। অর্থাৎ, পুলিশের কাছে আগাম খবর না থাকলে প্রয়োজনীয় বাহিনী মোতায়েন করার ক্ষেত্রে অসুবিধা হতে পারে। স্পর্শকাতর বিষয় বা বিতর্ক তৈরি হতে পারে, এমন সমস্ত ক্ষেত্রে পুলিশ এবং পুরসভার মধ্যে আগে থেকে বৈঠক করে নেওয়া প্রয়োজন। যাতে পরিস্থিতি সম্পর্কে আগে থেকেই মূল্যায়ন করা যায় এবং মোকাবিলার জন্য সঠিক প্রস্তুতি থাকে।
প্রয়োজনীয় নথি প্রস্তুত করতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট আনুষ্ঠানিক কাজকর্ম আগে থেকেই শেষ করে রাখা জরুরি। তাছাড়া কোনও উচ্ছেদ বা নির্মাণ ভাঙার প্রক্রিয়া শুরু করার আগে সংশ্লিষ্ট বাসিন্দা বা বেআইনি দখলদারদের আইন মেনে নির্দিষ্ট সময়ের অগ্রিম নোটিস দেওয়ার বিষয়টিও নিশ্চিত করা হয়েছে।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।


