পুরুলিয়ায় ভুয়ো প্রতিবন্ধীদের সার্টিফিকেট দিচ্ছে প্রশাসনই! প্রতিবন্ধী দিবসের অনুষ্ঠানে এমনই বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন খোদ জেলা পরিষদের সভাধিপতি সুজয় সরকার।  আবেদন করার তিনমাসের মধ্যে সার্টিফিকেট না পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন জেলাশাসক রাহুল মজুমদার।

আরও পড়ুন:কাঁচা থেকে পাকা হতে সময় লাগল ২৫০ বছর,খুশির সড়ক গুপ্তিপাড়ায়

এ রাজ্যে প্রতিবন্ধীদের নিয়ে কাজ করে, এমন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সংখ্যা কম নয়। মঙ্গলবার, প্রতিবন্ধী দিবস উপলক্ষ্যে রাজ্যের বিভিন্ন নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। পুরুলিয়ায় জেলা পরিষদের সভাকক্ষে তেমনই একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল স্থানীয় একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।  অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন জেলাশাসক রাহুল মজুমদার, জেলা সমাজকল্যাণ দপ্তরের আধিকারিক কালিদাস ভট্টাচার্য, জেলা পরিষদের সভাধিপতি সুজয় সরকার-সহ আরও অনেকেই।  সরকারি আধিকারিক ও জনপ্রতিনিধিদের সামনে জেলার তিনটি ব্লকে নিজেদের সাফল্যের খতিয়ান তুলে ধরেন আয়োজক সংস্থার কার্যকরী সম্পাদক প্রসাদ দাশগুপ্ত। তাঁর আক্ষেপ, স্রেফ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের সমন্বয়ের অভাবেই পুরুলিয়ার সরকারি সার্টিফিকেট পেতে গিয়ে সমস্যায় পড়ছেন প্রতিবন্ধীরা। সেই সূত্রেই প্রশাসনের বিরুদ্ধেই ভুয়ো প্রতিবন্ধীদের সার্টিফিকেট দেওয়ার অভিযোগ তোলেন খোদ পুরুলিয়া জেলা পরিষদের সভাধিপতি সুজয় সরকার। সমস্যা সমাধানে জেলাশাসকের কাছে হস্তক্ষেপের আর্জি জানান পুরুলিয়া জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক নবেন্দু মাহালিও। 

আরও পড়ুন: স্বামীর উপর রাগ করে পথ হারালেন গৃহবধূ, মাঝরাতে সহায় তৃণমূল নেতা

জানা গিয়েছে, পুরুলিয়ায় প্রতিবন্ধীদের নিয়ে কাজ করে, এমন অনেক সংস্থারই আবার সরকারি রেজিস্ট্রেশন নেই। ফলে কেন্দ্রীয় সরকারের বিমার সুবিধা থেকেও প্রতিবন্ধীরা বঞ্চিত হচ্ছেন।  অনুষ্ঠানের আয়োজ-সহ সমস্ত সংস্থাকেই রেজিস্ট্রেশন করিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান পুরুলিয়া জেলা সমাজকল্যাণ আধিকারিক কালিদাস ভট্টাচার্য।  মঙ্গলবারের অনুষ্ঠানে ১২০ জন প্রতিবন্ধী মানুষকে বস্ত্র ও কম্বল বিতরণ করা হয়। পুরষ্কৃত করা হয় মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকে কৃতী পড়ুয়াদেরও।