'বিধায়ক দেবেন্দ্রনাথ রায় আত্মহত্যা করেননি' সিবিআই তদন্তের দাবি তুললেন মৃতের স্ত্রী ক্ষোভ প্রকাশ করলেন পুলিশের ভূমিকায় রাজনৈতিক চাপানউতোর তুঙ্গে  

কৌশিক সেন, রায়গঞ্জ: 'উনি আত্মহত্যা করতে পারেন না।' হেমতাবাদে বিজেপি বিধায়কের মৃত্যুতে এবার সিবিআই তদন্তের দাবি তুললেন মৃতের স্ত্রী। পুলিশের ভূমিকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তিনি।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

আরও পড়ুন: খুন নাকি আত্মহত্যা, হেমতাবাদের বিজেপি বিধায়কের ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে এল পুলিশের

খুন নাকি আত্মহত্যা? উত্তর দিনাজপুরে হেমতাবাদে বিজেপি বিধায়ক দেবেন্দ্রনাথ রায়ের মৃত্যুতে চড়ছে রাজনীতির পারদ। সঠিক তদন্ত ও দোষীদের শাস্তির দাবিতে মঙ্গলবার উত্তর দিনাজপুর-সহ উত্তরবঙ্গে বারো ঘণ্টার বনধ পালন করেছে বিজেপি। গেরুয়াশিবিরের অভিযোগ, বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে বিধায়ককে পরিকল্পনামাফিক খুন করা হয়েছে। দাবি উঠেছে সিবিআই তদন্তেরও। এদিকে আবার বিধায়কের মৃত্যুতে আত্মহত্যার তত্ত্ব সামনে এসেছে পুলিশ। এমনকী, ময়নাতদন্তের রিপোর্টেও ঝুলন্ত অবস্থায় শ্বাসরোধ হয়ে মৃত্যুর কথা বলা হয়েছে। এই যখন পরিস্থিতি, ঠিক তখনই মুখ খুললেন মৃত বিধায়কের স্ত্রী চাঁদিমা রায়।

কী বলছেন তিনি? সদ্য প্রয়াত বিধায়ক দেবেন্দ্রনাথ রায়ের স্ত্রী বক্তব্য, 'উনি আত্মহত্যা করেছেন, এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা। কোনও পরীক্ষা নিরীক্ষার দরকার নেই। দেখেই বোঝা যাচ্ছে, এটা আত্মহত্যা নয়।' তাঁর আরও বক্তব্য, 'পুলিশ ইচ্ছাকৃতভাবে আত্মহত্যার কথা বলছে। তৃণমূল নেতাদের চাপে পড়ে হয়তো এসব বলা হচ্ছে। আমি সিবিআই তদন্ত চাই।'

আরও পড়ুন: পোস্টমর্টেম রিপোর্টে আঘাতের চিহ্ন নেই, বিজেপি বিধায়কের আত্মহত্যার দিকেই ইঙ্গিত স্বরাষ্ট্রসচিবের

উল্লেখ্য, সোমবার সকালে হেমতাবাদের বালিয়া মোড়ে বাড়ির কাছে একটি বন্ধ দোকানের সামনে থেকে উদ্ধার হয় বিজেপি বিধায়ক দেবেন্দ্রনাথ রায়ে ঝুলন্ত দেহ। পরিবারের লোকেদের দাবি, রবিবার গভীর রাতে কেউ বা কারা তাঁকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর রাতে আর বাড়ি ফেরেননি তিনি। ময়নাতদন্তের পর মঙ্গলবার রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল থেকে মিছিল করে দেবেন্দ্রনাথ রায়ের মরদেহ আনা হয় জেলা বিজেপি-র সদর দপ্তর। সেখানে তাঁকে শেষশ্রদ্ধা জানান রায়গঞ্জের সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী দেবশ্রী চৌধুরী, কোচবিহারের সাংসদ নিশীথ প্রামাণিক, মালদহ উত্তর সাংসদ খগেন মুর্মু-সহ বিজেপি অন্য়ন্য নেতারা।