শুরুটা হয়েছিল সংসদ ভবনের গেট থেকে। হায়দরাবাদে তরুণীকে ধর্ষণ এবং খুনের প্রতিবাদে শনিবার সংসদ ভবনের সামনে একা ধর্নায় বসেছিলেন এক তরুণী। সেই প্রতিবাদের রেশই এবার পৌঁছে গেল ঝাড়গ্রাম শহরেও। হায়দরাবাদে পশু চিকিৎসকের নৃশংস পরিণতির প্রতিবাদে মেয়েকে নিয়ে ধর্নায় বসলেন এক বাবা। নিজের নাবালিকা মেয়ের ভবিষ্যৎ কতটা সুরক্ষিত, তা ভেবেই উদ্বিগ্ন তিনি। 

রবিবার সকালে ঝাড়গ্রাম শহরের অন্যতম ব্যস্ত শিবমন্দির এলাকায় বাজারে বেরিয়ে অবাক হয়ে যান সাধারণ মানুষ। এক অন্যরকম অনুভূতি নিয়ে বাড়ি ফিরলেন শহরের অনেক বাসিন্দাই।

আরও পড়ুন- সারা দেশ চাইছে ফাঁসি, হায়দরাবাদ কাণ্ডের অভিযুক্তদের নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত আইনজীবীদের

আরও পড়ুন- মুখ ফেরালেন বন্ধুরাও, হায়দরাবাদের নৃশংসতার প্রতিবাদে একাই পথে বহ্নিশিখা

ঝাড়গ্রাম শহরের বাসিন্দা পেশায় ব্যবসায়ী রবিন প্রামাণিক নিজের নাবালিকা মেয়েকে নিয়ে শিব মন্দির এলাকায় হায়দরাবাদে পশু চিকিৎসকের উপরে নির্যাতনের প্রতিবাদ জানালেন। হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে নীরবেই ঘটনার প্রতিবাদ জানালো বাবা এবং মেয়ে। সকাল আটটা থেকে বেলা এগারোটা পর্যন্ত চলে তাদের মৌন প্রতিবাদ। প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল, 'কত দিদি এভাবে মরবে, এবার কি আমার পালা?'

রবীনবাবু বলেন, 'আমাদের দেশ মহান। দেশ আমাদের ভারত মাতা। অথচ সেই দেশে আজ নারী জাতি আক্রান্ত। তাঁদের নিরাপত্তা নেই। একজন মেয়ের বাবা হিসেবে আমি ভীষণ চিন্তিত। নরীরা সুরক্ষা পাচ্ছেন না। একটাই আবেদন, দেশে এই ধর্ষণের বিরুদ্ধে এমন একটা আইন করা হোক যাতে এই কাজ করার আগে দুষ্কৃতীরা একবার হলেও ভাববে।'