আশার সঙ্গে ছিল একাধিক আশঙ্কা। তিনবার গর্ভপাত হওয়ায় ঝুঁকির শেষ ছিল  না। শেষ অবধি বহু বাঁধা প্রতিকূলতা পেরিয়ে এক সন্তানের জন্ম দিলেন ওদলাবাড়ির বামন দম্পতি। 

নির্ভয়া কাণ্ডের দিনই উন্নাও কাণ্ডের রায়দান, ফাঁস চেপে বসছে সেনগারের গলায়

জলপাইগুড়ি জেলার ওদলাবাড়ির বাসিন্দা বামন দম্পতি মহম্মদ নাজির ও সওরা খাতুনের। মেরে কেটে উচ্চতা প্রায় ৩ ফুট। একে একে কেঁটেছে দাম্পত্য জীবনের দশটা বছর। সন্তান সম্ভবা হয়েও নিরাশ হতে হয়েছিল তাদের। যদিও শেষ অবধি চাঁদ ছুলেন বামন দম্পতি। মঙ্গলবার সকালে শিলিগুড়ির একটি নার্সিংহোমে জন্ম দিলেন ছেলের। ঘটনায় খুশি ওই দম্পতি৷ অন্যদিকে, খুশি চিকিৎসকেরাও।  

সুর নরম পার্শ্বশিক্ষকদের, বৈঠকে বসার প্রস্তাবে রাজি শিক্ষামন্ত্রীও

মহম্মদ নাজির বলেন, লটারির দোকান চালিয়ে সংসার চলে কোনমতে। একে একে তিনবার সন্তান সম্ভবা হয়েছিল স্ত্রী। যদিও একাধিক কারণে তিনবার গর্ভপাত হয়। স্বাভাবিকভবেই এবারও স্ত্রী সন্তান সম্ভবা হওয়ায় আতঙ্ক গ্রাস করেছিল। যদিও শেষ অবধি চিকিৎসকদের দৌলতে সন্তান লাভ সম্ভব হল। সেক্ষেত্রে চিকিৎসকদের বিশেষ ধন্যবাদ কেননা, চিকিৎসকেরা  ফিজ নেওয়া থেকে বিরত ছিলেন। এ বিষয়ে এক চিকিৎসকেরা বলেন, আমরাও আশঙ্কায় ছিলাম। যদিও শেষ অবধি সাফল্য মেলে। আমরাও খুব খুশি।