Bimal Gurung: মাদারিহাট-বীরপাড়া অঞ্চলে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার রাজনৈতিক তৎপরতা ফের বাড়ছে বলে জল্পনা শুরু হয়েছে। বিমল গুরুং রবিবার দলমোড় চা বাগান ও বীরপাড়ায় দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন। 

মাদারিহাট-বীরপাড়া এলাকায় আবারও রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় হয়ে উঠছে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা—বিমল গুরুংয়ের সাম্প্রতিক সফর ঘিরে এমনই জল্পনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। রবিবার দলমোড় চা বাগান এবং পরে বীরপাড়ায় দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করেন মোর্চা সুপ্রিমো বিমল গুরুং। পাশাপাশি সংগঠনের মাদারিহাট-বীরপাড়া ব্লক যুব মোর্চার নতুন কমিটিও গঠন করা হয়।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

দীর্ঘদিনের দাবি অনুযায়ী বীরপাড়ায় গোর্খা ভবন নির্মাণের জন্য নির্ধারিত জমিও পরিদর্শন করেন তিনি। যদিও এদিন গোর্খাল্যান্ড ইস্যুতে কোনও মন্তব্য করেননি বিমল। পরিবর্তে তিনি জানান, বর্তমানে তরাই ও ডুয়ার্স অঞ্চলের সাংবিধানিক সমস্যার সমাধানে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের সঙ্গে আলোচনার উপরই জোর দেওয়া হচ্ছে।

উল্লেখ্য, চলতি বছরে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা-র সমর্থনে মাদারিহাট বিধানসভা কেন্দ্রে জয়ী হন বিজেপির লক্ষ্মণ লিম্বু। মোর্চার দাবি, লক্ষ্মণ ‘ঘরের ছেলে’, তাই তাঁর জয়কে নিজেদের রাজনৈতিক সাফল্য হিসেবেই দেখছে দল। সেই কারণেই আগামী ৫ জুলাই বীরপাড়ায় বিজয় মিছিলের ডাক দিয়েছে মোর্চা।

বিমল গুরুংয়ের সফর, সাংগঠনিক পুনর্গঠন এবং বিজয় মিছিলের প্রস্তুতিকে ঘিরে এখন প্রশ্ন উঠছে—মাদারিহাট বিধানসভায় কি ফের নিজেদের রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করতে চলেছে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা? আগামী দিনে তারই ইঙ্গিত মিলতে পারে।

গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা সম্প্রতি কিছুটা হলেও অক্সিজেন পেয়েছে বলেও মনে করেছে ওয়াকিবহাল মহল। রাজ্যের ক্ষমতা থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের বিদায়ের পরেই কিছুটা হলেও হারানো জমি উদ্ধারের কাজ শুরু করেছে বিমল গুরুংরা। পাহাড়ে একাধিক কার্যক্রম শুরুও করেছে গোর্খা জনমুক্তি মোর্টার সদস্যরা।