রাজ্যপালের ডাকা বৈঠকে অনুপস্থিত একাধিক পদস্থ কর্তা। সংবাদমাধ্য়েমর সমানেই ক্ষোভ প্রকাশ করলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। যারা এলেন না তারা কেন আসেননি তা দেখবেন বললেন রাজ্যপাল   

রাজ্যপালের ডাকা বৈঠকে অনুপস্থিত জেলার পুলিশ সুপার, জেলাশাসক, পুলিশ কমিশনার সহ একাধিক পদস্থ কর্তা। যা দেখে সংবাদমাধ্য়েমর সমানেই ক্ষোভ প্রকাশ করলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। রাজ্যপাল জানালেন, যারা এলেন না তারা কেন আসেননি তা দেখব। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়া নিয়ে রাজ্য়-রাজ্যপাল চাপান উতর এখনও শেষ হয়নি। এরমধ্য়েই নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি করলেন রাজ্যের প্রশাসনিক আাধিকারিকরা। শিলিগুড়িতে রাজ্যপালের বৈঠকে এলেন না জেলার পুলিশ সুপার, জেলাশাসক, পুলিশ কমিশনার সহ একাধিক পদস্থ কর্তা। যার জেরে নিজের ক্ষোভ উগড়ে দিলেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজ্যপাল বলেন, আমার ডাকা বৈঠকে কে এল না এল তা বিশেষ ম্যাটার করে না। আমি পশ্চিমবঙ্গের সব জেলায় ঘুরব। কেউ আমায় আটকাতে পারবে না। কীভাবে কাজ করব আমার বিষয়। আমি সংবিধান রক্ষায় কাজ করছি সাধারণ মানুষের জন্য। সেক্ষেত্রে এ ধরনের সভা আগামীতেও হবে। আর এদিনের সভায় যারা এলেন না তারা কেন আসেননি তা দেখব। 

এদিন প্রশাসনিক কর্তারা যোগ না দিলেও শিলিগুড়ি স্টেট গেস্ট হাউসে রাজ্যপালের ডাকা প্রশাসনিক বৈঠকে অংশ নেন জেলার বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্ত, শিলিগুড়ি পুরনিগমের বাম মেয়র তথা শিলিগুড়ির বিধায়ক অশোক ভট্টাচার্য, মাটিগাড়া নকশালবাড়ির বিধায়ক শংকর মালাকার সহ অন্যান্যরা। টানা এক ঘণ্টার বৈঠকে উঠে আসে রাজ্যের বিরুদ্ধে একরাশ অভিযোগ। বিরোধীরা এক যোগে পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে ধরেন রাজ্যপালের কাছে। রাজ্যপাল তা সমাধানের আশ্বাস দেন। 

ম্যারাথন বৈঠক শেষে রাজ্যপাল সংবাদমাধ্যমের সামনে হাজির হয়ে বলেন, রাজ্য প্রশাসন আজকের বৈঠক বয়কট করেছে। ডিএম, এডিএম আসেনি। তবে জনপ্রতিনিধিদের দাবি গুলো গুরুত্ব দিয়ে দেখব। শিলিগুড়িতে আবারও বৈঠক করব। আমি প্রো একটিভ নই, আমি একটিভ। অন্যদিকে, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ইস্যুতে বলেন, আমি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে অনেকবার ফোনে কথা বলে তবেই গিয়েছিলাম। আর বিশ্ববিদ্যালয় সায়ত্তশাসিত সংস্থা। নিরপেক্ষভাবেই চলুক। কোনওভাবেই তা যেন রাজ্যের কোনও দফতর বা রাজভবনের কন্ট্রোল না হয়। পাশাপাশি রাজীব কুমার ইস্যুতে বলেন, আইনের ওপর কেউ নেই। যে যত বেশি আইন জানে তার আইনকে বেশি সম্মান করা উচিত।