Santoshpur News: রেলের জায়গা দখল করে অবৈধভাবে দোকানদারি করার অভিযোগ। রাতভর বুলডোজার দিয়ে উচ্ছেদ অভিযান চলল সন্তোষপুর এলাকায়। ঠিক কী ঘটেছে? বিশদে জানতে পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন…
Santoshpur News: সন্তোষপুর স্টেশনে রাতভর উচ্ছেদ অভিযান, বুলডোজারে গুঁড়িয়ে দেওয়া হল রেলের জমি দখল করে গড়ে ওঠা দোকান। রাজ্যে পালাবদলের পর থেকেই বিভিন্ন রেল স্টেশনে চলছে হকার উচ্ছেদ ও রেলের সম্পত্তি দখলমুক্ত করার অভিযান। সেই ধারাবাহিকতায় এবার সন্তোষপুর স্টেশন চত্বরে রাতভর চলল বড়সড় উচ্ছেদ অভিযান।

রেল প্রশাসনের দাবি, স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় রেলের জমি জবরদখল করে দীর্ঘদিন ধরে একাধিক দোকান গড়ে উঠেছিল। মঙ্গলবার রাতে সেই সমস্ত বেআইনি নির্মাণ ভাঙতে অভিযান চালায় রেল কর্তৃপক্ষ। রাত প্রায় ১০টা নাগাদ শুরু হওয়া এই অভিযান চলে গভীর রাত পর্যন্ত।
কী কারণে এই উচ্ছেদ অভিযান?
অভিযানে উপস্থিত ছিল রেল পুলিশ ও রাজ্য পুলিশের বিশাল বাহিনী। কোনওরকম অশান্তি বা অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে গোটা স্টেশন চত্বরকে নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়। প্রথমে দোকানগুলির বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। এরপর বুলডোজার ও অন্যান্য যন্ত্রের সাহায্যে একে একে ভেঙে ফেলা হয় জবরদখল করে গড়ে ওঠা দোকানগুলি।
শুধু স্টেশন লাগোয়া এলাকাই নয়, প্ল্যাটফর্মের উপর থাকা বেআইনি কাঠামো ও দোকানও সরিয়ে দেন রেল কর্মীরা। রেল প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, স্টেশন এলাকাকে দখলমুক্ত ও যাত্রী পরিষেবা আরও উন্নত করতেই এই অভিযান চালানো হয়েছে। সন্তোষপুর স্টেশনের এই উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে। রেল সূত্রের খবর, আগামী দিনেও বিভিন্ন স্টেশনে এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
অন্যদিকে, তৃণমূল কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ। বেপাত্তা কাউন্সিলর। মালদার ইংরেজবাজার পুরসভার চার নম্বর ওয়ার্ডে এই ঘটনা ঘিরে চাঞ্চল্য। ঘটনার তদন্ত ইংরেজ বাজার থানার পুলিশ। ইংরেজবাজার পৌরসভার চার নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অশোক সাহা। চার নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত গৌড়বঙ্গ হকার্স কর্নার ব্যবসায়ী মৃনাল মৈত্র ইংরেজ বাজার থানায় অভিযোগ জানিয়েছে 4 নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অশোক সাহা।
দোকান দেওয়ার নাম করে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে লক্ষাধিক টাকা নিয়েছে। সেই টাকা ফেরতের দাবিতেই তিনি ইংরেজবাজার থানার দারস্থ হয়েছেন। এদিকে থানায় অভিযোগ দেয়ার পর পর থেকেই বেপাত্তা কাউন্সিলর অশোক সাহা। তার বাড়ি তালা বন্ধ , বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা হলেও তার মোবাইলে সুইচ অফ। যদিও কাউন্সিলরের পাশে দাঁড়িয়েছেন ইংরেজবাজার পৌরসভার পুরো প্রধান কৃষ্ণেন্দু নারায়ন চৌধুরী। তিনি বলেন অভিযোগ কি সঠিক নয়। পুলিশ তদন্ত করুক। আর কাউন্সিলরের তোলাবাজি নিয়ে সরব বিজেপি।
আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।


