Asianet News BanglaAsianet News Bangla

করোনা নির্দেশকে 'বুড়ো আঙুল' প্রধানশিক্ষিকার, নদিয়ায় সরকারি স্কুলে চলছে পঠনপাঠন

  • করোনা আতঙ্কে স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর
  • সেই নির্দেশ মানলেন না খোদ প্রধানশিক্ষিকাই
  • সরকারি স্কুলে চলল পঠনপাঠন
  • ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে নদিয়ার ধুবুলিয়ায়
     
Head Master violates CM's order regarding Corona Virus
Author
Kolkata, First Published Mar 18, 2020, 4:11 PM IST
  • Facebook
  • Twitter
  • Whatsapp

মৌলিককান্তি মণ্ডল, নদিয়া: খোদ মুখ্যমন্ত্রীর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশকেই বুড়ো আঙুল! করোনা আতঙ্কের মাঝেই ছাত্রীদের স্কুলে ডেকে এনে 'ক্লাস' নিলেন প্রধানশিক্ষিকা! ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে নদিয়ার ধুবুলিয়ায়। ক্ষুদ্ধ শিক্ষিকাদের একাংশও।

আরও পড়ুন: করোনা আতঙ্ক মুর্শিদাবাদে, আরব ফেরত হজ যাত্রীদের বাড়ি বাড়ি পৌঁছল বিশেষ মেডিকেল টিম

আরও পড়ুন: কলকাতায় বইছে ঠান্ডা হাওয়া, বজ্রবিদ্যুৎ সহ ঝড়ের সম্ভাবনা রাজ্য়ে

কৃষ্ণনগর থেকে দূরত্ব খুব বেশি নয়। দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পঠনপঠন চলে নদিয়ার ধুবুলিয়ার নিবেদিতা বালিকা বিদ্যালয়ে। পড়ুয়াদের সংখ্যাও নেহাত কম নয়। করোনা আতঙ্কে যখন রাজ্যের সমস্ত স্কুল,কলেজ,এমনকী অঙ্গনওয়াড়িগুলিকে বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তখন নিবেদিতা বালিকা বিদ্যালয়ে 'ক্লাস' করল দশম শ্রেণির ছাত্রীরা! কেন? পড়ুয়াদের দাবি, সিলেবাস নাকি এখনও শেষ হয়নি। তাই প্রধানশিক্ষিকা তাদের স্কুলে আসতে বলেছেন। শুধু তাই নয়, স্কুলের বারান্দায় তিনি নিজেই ছাত্রীদের পড়িয়েছেন বলে অভিযোগ। ঘটনাটি জানাজানি হতেই রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে এলাকায়।

Head Master violates CM's order regarding Corona Virus

 

জানা গিয়েছে, দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পঠনপাঠন চললেও, নিবেদিতা বালিকা বিদ্যালয়ে উচ্চমাধ্যমিক সিট পড়ে না। পাশের একটি স্কুলে পরীক্ষা নিতে যান ওই স্কুলের বাছাই করা কয়েকজন শিক্ষিকা। এবার সেই দায়িত্ব পেয়েছেন চারজন। তাঁরা তো বটেই, একাদশ শ্রেণির পরীক্ষার জন্য নিয়মমাফিক বুধবার স্কুলে এসেছিলেন অন্য শিক্ষিকারাও। তবে শুধু প্রধানশিক্ষিকাই দশম শ্রেণির ছাত্রীদের ক্লাস নিয়েছেন বলে অভিযোগ। ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে নিয়েছেন ধুবুলিয়া নিবেদিতা বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধানশিক্ষিকা চন্দনা ভট্টাচার্য। তাঁর সাফাই,  'উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য শিক্ষিকাদের স্কুলে আসতেই হচ্ছে। মেয়েদের বলেছিলাম, চাইলে সিলেবাস শেষ করার জন্য তারা স্কুলে আসতে পারে। অভিভাবকদের অনুমতি নিয়েই স্কুলে এসেছিল ওরা।' কিন্তু পড়ুয়ারা যদি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়,তাহলে প্রধানশিক্ষিকা দায় নেবেন তো? প্রশ্ন উঠেছে।

Follow Us:
Download App:
  • android
  • ios