মৌলিককান্তি মণ্ডল, নদিয়া-মৃত্যুর পরেও বেঁচে ছিল রোগী। এই দাবিতে ফের হাসপাতালে নিয়ে আসা হল মৃত রোগীকে।  চিকিৎসকরা পরীক্ষা করার পর ফের মৃত বলে ঘোষণা। ঘটনায় হাসপাতালের বিরুদ্ধে চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগে ভাঙচুর চালালো রোগীর আত্মীয়রা। হাসপাতালের ভিতর থেকে শুরু করে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে ভাঙচুর চালায় রোগীর আত্মীয়রা। ঘটনার জেরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। 

আরও পড়ুন-গঙ্গাসাগর বাজার এলাকায় বিধ্বংসী আগুন ঘিরে রহস্য, ভস্মীভূত ১০টি দোকান

চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার বেথুয়াডহরি গ্রামীণ হাসপাতালে। জানাগেছে, বেথুয়াডহরির জলট্য়াঙ্ক পাড়ার বাসিন্দা লালচাঁদ শেখ উত্তরপাড়ায় শ্বশুরবাড়িতে যান। সেখানে গিয়ে বিদ্য়ুৎস্পৃষ্ট হন তিনি। আশঙ্কাজনক অবস্থায় লালচাঁদে বেথুয়াডহরি গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালের জরুরি বিভাগে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। এরপর, মৃত যুবককে বাড়ি নিয়ে যান পরিবারের লোকেরা। তাঁদের দাবি, বাড়ি নিয়ে যাওয়ার পর মৃত যুবকের প্রাণের স্পন্দন ছিল। পুনরায় ওই যুবককে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। তখনও লালচাঁদ শেখকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। এরপরই, চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ তুলে হাসপাতালে ভাঙচুর চালায় রোগীর পরিজনরা। 

আরও পড়ুন-ভাইঝিকে উত্যক্ত করার প্রতিবাদে খুন, দম্পতির গুলিবিদ্ধ দেহ উদ্ধার ঘিরে ঘণীভূত রহস্য

হাসপাতালের ভিতর চেয়ার, টেবিল, রোগীর বেডে ভাঙচুর চালানো হয়। শুধু তাই নয়, হাসপাতালের কর্মীদের উপরেও চড়াও হয় রোগীর আত্মীয়রা। হাসপাতাল চত্বরে ব্যাপক ভাঙচুরের জেরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনাস্থলে পৌঁছায় নাকাশিপাড়া থানার পুলিশ। বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পোঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। হাসপাতালে ভাঙচুরের ঘটনায় বেশ কয়েকজনকে আটক করেছে পুলিশ।