Humayun Kabir:'স্টিং'-য়ে জখম হননি, বরং আগের চেয়েও তিনি বেশি আত্মবিশ্বাসী। এমন দাবিই করলেন আমজনতা উন্নয়ন পার্টির নেতা হুমায়ুন কবীর। রাজ্য়ে ভোটগ্রহণ পর্ব মেটার পর রিলাক্স মুডে দেখা গেল হুমায়ুন কবীর-কে।

Humayun Kabir:'স্টিং'-য়ে জখম হননি, বরং আগের চেয়েও তিনি বেশি আত্মবিশ্বাসী। এমন দাবিই করলেন আমজনতা উন্নয়ন পার্টির নেতা হুমায়ুন কবীর। রাজ্য়ে ভোটগ্রহণ পর্ব মেটার পর রিলাক্স মুডে দেখা গেল হুমায়ুন কবীর-কে। ভোটের ডঙ্কা বাজা থেকে একেবারে ব্যস্ত, নাটকীয় সময় কাটিয়েছেন মুর্শিদাবাদের এই দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতা। প্রথমে মুর্শিদাবাদে বাবরী মসজিদ নির্মাণের ঘোষণা, তারপর তৃণমূল ছেড়ে নিজের দল গড়া। এরপর রাজ্য়ে ১৫০টি-রও বেশি আসনে প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ। নিজে দুটি কেন্দ্রে লড়া, মিমের সঙ্গে জোট ঘোষণা। কিন্তু ভোটের মুখে তৃণমূলের প্রকাশিত স্টিং অপারেশনে ধরা পড়ে কিছুটা ব্য়াকফুটে চলে গিয়েছিলেন। এত কিছুর পরেও তৃণমূলকে এবার বেশ সমস্য়া ফেলেন তাদের দলের এই প্রাক্তন বিধায়ক। ভোটে শেষে হুমায়ুনের দাবি, তিনি মুর্শিদাবাদের যে দুটি আসন থেকে লড়ছেন, সেই দুটিতেই জিতবেন।

নওদা নাকি রেজিনগর? দুটোতেই জিতলে কোনটা ছাড়বেন

আম জনতা উন্নয়ন পার্টি (AJUP)-র প্রধান জানালেন, নওদা ও রেজিনগর দুটি আসনেই তিনি জিতবেন। তৃণমূল অনেক অপচেষ্টা, হামলা করেও তাকে হারাতে পারেননি। একধাপ এগিয়ে হুমায়ুন ঘোষণা করেন, সাংবিধানিক নিয়ম হল একজন প্রার্থী একটি আসন থেকেই বিধানসভায় যেতে পারেন। তাই আমায় একটা আসন ছাড়তে হবে। এবার রেজিনগরের মানুষ আমায় বলছে থাকতে হবে। নওদার মানুষও দাবি করছে আমায় থেকে যেতে। তবে আমি ঠিক করেছি নওদা থেকেই বিধানসভায় শপথ নেবো। রেজিনগরটা ছেড়ে দেবো।"এরপর হুমায়ুন জানান, ৮-৯ মাস পর রেজিনগর উপনির্বাচনে জিতে আমার দলের প্রার্থীই বিধানসভায় যাবে।' নিজের দুটি আসনের জয়ের দাবির পাশাপাশি হুমায়ুন জানালেন, এবার রাজ্যে ক্ষমতা হারাতে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। প্রথম দফায় ভোটগ্রহণের দিন মুর্শিদাবাদের নওদায় আমজনতা উন্নয়ন পার্টির প্রার্থী হুমায়ুন কবীরকে ঘিরে তীব্র বিক্ষোভ দেখায় তৃণমূল। তার ওপর হামলারও অভিযোগ ওঠে। হুমায়ুনকে ঘিরে তৃণমূল-জেইউপি সমর্থকদের মধ্যে ধস্তাধস্তিও হয়। তবে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর তৎপরতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে।

জেতার সম্ভাবনা

প্রসঙ্গত, এবার রেজিনগরে হুমায়ুনের বিরুদ্ধে তৃণমূলের প্রার্থী আতাউর রহমান। এই কেন্দ্রে তিনবারের বিধায়ক রবিউল আলম চৌধুরীকে টিকিট দেয়নি রাজ্যের শাসক দল। এখানে লড়াইয়ে আছে কংগ্রেস, বিজেপিও। ২০১১ বিধানসভায় রেজিনগর থেকে জিতে বিধায়ক হয়েছিলেন তখন কংগ্রেসে থাকা হুমায়ন কবীর। এরপর কখনও তৃণমূল, কখনও নির্দল হয়ে দাঁড়িয়েও কখনও জিততে পারেননি হুমায়ুন। অন্যদিকে,নওদায় হুময়ানের প্রধান প্রতিপক্ষ তৃণমূলের দুবারের বিধায়িকা সাহিনা মুমতাজ বেগম (Sahina Mumtaz Begum)। এই আসনে কংগ্রেসের মতিউর রহমান প্রচারে ঝড় তোলেন।