শনিবার দুপুরে বেলগাছিয়ায় মেট্রোর লাইনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেন এক ব্যক্তি। তদন্তে নেমে বড় ঘটনা জানতে পারল পুলিশ। স্ত্রীকে খুন করে ওই ব্যক্তি মেট্রোর লাইনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেন। পুলিশের অনুমান, বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের জেরেই স্ত্রীকে খুন করেছেন দীপঙ্কর নামের ওই ব্যক্তি। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। প্রতিবেশীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
শনিবার দুপুরে বেলগাছিয়ায় মেট্রোর লাইনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেন এক ব্যক্তি। তদন্তে নেমে বড় ঘটনা জানতে পারল পুলিশ। স্ত্রীকে খুন করে ওই ব্যক্তি মেট্রোর লাইনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেন। পুলিশের অনুমান, বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের জেরেই স্ত্রীকে খুন করেছেন দীপঙ্কর নামের ওই ব্যক্তি। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। প্রতিবেশীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, স্ত্রী মনিকা সরকার ও ৬ বছরের কন্যাকে নিয়ে হুগলির রিষড়ার তিন নম্বর গভর্নমেন্ট কলোনি প্রাথমিক স্কুলের পাশে এক ভাড়াবাড়িতে থাকতেন দীপঙ্কর। শুক্রবার রাতে মনিকার চিৎকার শুনতে পান প্রতিবেশীরা। শনিবার সকালে বাড়িতে কারও সাড়াশব্দ না পেয়ে সন্দেহ হয় স্থানীয়দের। তাঁরা গেটের তালা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে দেখেন, বিছানায় পড়ে রয়েছে মনিকার রক্তাক্ত দেহ। পাশে শুয়ে রয়েছে ছ’বছরের কন্যা। বিছানা থেকে উদ্ধার হয় মনিকার রক্তাক্ত দেহ। তাঁকে গলা কেটে খুন করা হয়েছে বলে সন্দেহ পুলিশের। ঘটনার পর থেকেই খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না মনিকার স্বামী দীপঙ্করের। খবর পেয়ে রিষড়া থানার পুলিশ এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।
দুপুরে বেলগাছিয়া স্টেশনে মেট্রোর লাইনে ঝাঁপ দেন এক ব্যক্তি। তার জেরে দমদম থেকে গিরিশ পার্ক পর্যন্ত আপ-ডাউন দুই লাইনে সাময়িক পরিষেবা বন্ধ থাকে। পরে পরিষেবা স্বাভাবিক হয়। পরে জানা যায় ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করা ব্যক্তি মনিকার স্বামী দীপঙ্কর। ডিসি (শ্রীরামপুর) অর্ণব বিশ্বাস জানান, এফআইআরে অভিযুক্ত হিসাবে দীপঙ্করের নাম ছিল। তাঁর খোঁজে তল্লাশি চলছিল। সেই সময়েই জানা যায়, উল্টোডাঙা থানার অন্তর্গত বেলগাছিয়া মেট্রো স্টেশনে আত্মহত্যা করেছেন তিনি।
সূত্রের খবর, মনিকার বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্ক রয়েছে বলে সন্দেহ করতেন দীপঙ্কর। সেই নিয়ে অশান্তির জেরেই এই কাণ্ড বলে মনে করা হচ্ছে। রিষড়ার ভাড়াবাড়ি থেকে যখন মনিকার দেহ উদ্ধার হয়, তখন তাঁর গলায় কাটা দাগ পাওয়া গিয়েছে। ঘরে একটা শাড়ি ঝুলতে দেখা গিয়েছে। পুলিশের অনুমান, প্রথমে শ্বাসরোধ করে, তার পরে গলা কেটে খুন করা হয়েছে মনিকাকে। মনিকার পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে রিষড়া থানায় এফআইআর রুজু করা হয়। দীপঙ্করের খোঁজে তল্লাশিও শুরু করে পুলিশ। এরই মধ্যে খবর আসে, তিনি মেট্রোয় ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।
