Jalpaiguri Horror: মহিলার মাথা কেটে নিয়ে গেল দুষ্কৃতীরা, ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল জলপাইগুড়ি জেলার চর চন্ডী গ্রামে। পুলিশ দীর্ঘ তল্লাশি তালিয়েও উদ্ধার করতে পারেনি নিহতের মুণ্ড। এই ঘটনায় আতঙ্ক স্থানীয়দের মধ্যে। 

মহিলাকে খুন করেই খান্ত নয়! দুষ্কৃতীরা কেট নিয়ে গেল মহিলার মুণ্ডও। এই ঘটনায় রীতিমত চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়়েছে জলপাইগুড়ির চরচণ্ডীগ্রামে। তবে পুলিশের দীর্ঘ খোঁজাখুঁজির পরেও উদ্ধার হয়নি নিহত মহিলার মণ্ড। তাতেই এলাকায় আতঙ্ক ক্রমশই বাড়ছে।

মুণ্ডহীন দেহ উদ্ধার

মৃত মহিলার নাম সমিজা খাতুন (৭৩)। পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাতে খাওয়া-দাওয়া সেরে নাতনির সঙ্গে একই ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন তিনি। পরিবারের সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন তিন ছেলে ও এক জামাই। দুই ছেলে পাশেই আলাদা বাড়িতে থাকেন, আর এক ছেলে, জামাই ও শাশুড়ি একই বাড়িতে বসবাস করতেন।

শনিবার সকালে প্রতিদিনের মতো মাকে চা খাওয়ানোর জন্য ঘরে খুঁজতে যান ছেলে। কিন্তু ঘরে মাকে দেখতে না পেয়ে শুরু হয় খোঁজাখুঁজি। কিছুক্ষণ পর বাড়ির পিছনে পড়ে থাকতে দেখা যায় সমিজা খাতুনের দেহ। তবে দেহ থাকলেও মাথাটি খুঁজে পাওয়া যায়নি, যা নিয়ে চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়।

আতঙ্ক জলপাইগুড়িতে

ঘটনার পর এলাকায় তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় জলপাইগুড়ি কোতোয়ালি থানার পুলিশ বাহিনী। ইতিমধ্যে তদন্তে গতি আনতে আনা হচ্ছে পুলিশ কুকুর এবং ড্রোনের সাহায্যে নজরদারিও চালানো হচ্ছে। পুলিশ নিহত মহিলার বাড়ির আশপাশে তাঁর মুণ্ড খুঁজতে শুরু করেছে। দীর্ঘ সময় তাঁরা খোঁজাখুঁজি করে। কিন্তু তারপরে এখনও পর্যন্ত উদ্ধার হয়নি নিহতের মুণ্ড। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এই নৃশংস খুনের পেছনে কারা জড়িত এবং কী কারণে এমন ঘটনা ঘটল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ব্যক্তিগত শত্রুতা সহ একাধিক দিক খতিয়ে দেখছে তদন্তকারীরা।

এদিকে, ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন জলপাইগুড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী কৃষ্ণ দাস। তিনি ঘটনাটি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান। ঘটনাকে কেন্দ্র করে গোটা এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে, আতঙ্কে রয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। দ্রুত রহস্য উদঘাটনের আশায় প্রহর গুনছে এলাকাবাসী।