2026 West Bengal Legislative Assembly Election: বৃহস্পতিবার রাজ্যের ১৫২ কেন্দ্রে বিধানসভা নির্বাচনে প্রথম দফার ভোটগ্রহণ হতে চলেছে। তার আগে জলপাইগুড়ি জেলার মাদারিহাট বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূল কংগ্রেসের (AITC) বিরুদ্ধে পোস্টার পড়া ঘিরে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ভোটে এই পোস্টারের প্রভাব পড়বে কি না, তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।
KNOW
West Bengal Elections 2026: রাত পোহালেই বিধানসভা নির্বাচনে (2026 West Bengal Legislative Assembly election) প্রথম দফায় ভোটগ্রহণ। তার আগে জলপাইগুড়ি জেলার মাদারিহাট বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূল কংগ্রেসের (AITC) বিরুদ্ধে পোস্টার পড়া নিয়ে রাজনৈতিক মহলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। মাদারিহাট বিধানসভা কেন্দ্রের সাঁকোয়াঝোড় ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের বিভিন্ন অঞ্চলে এই পোস্টারগুলি দেখা যাচ্ছে। পোস্টারে একাধিক অভিযোগ তুলে প্রশ্ন করা হয়েছে কোথায় গেল থানা, দমকল ও হাসপাতালের প্রতিশ্রুতি? পাশাপাশি তৃণমূল কংগ্রেস নেতা সৈকত চট্টোপাধ্যায়ের নাম উল্লেখ করে কটাক্ষ করা হয়েছে। এমনকী, তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভানেত্রী মহুয়া গোপকে নিয়েও মন্তব্য করা হয়েছে পোস্টারে। এছাড়াও পোস্টারে তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে কটূক্তি করে লেখা হয়েছে, ‘দিনে বিশ্রাম আর রাতে মদের আসরে তাঁদের দেখা মেলে।’
বিরোধীদের পাল্টা আক্রমণ শাসক দলের
এই ঘটনাকে সম্পূর্ণ সাজানো এবং বিরোধীদের চক্রান্ত বলে দাবি করেছেন মাদারিহাটের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী জয়প্রকাশ টোপ্পো। তাঁর দাবি, ভোটের আগে ইচ্ছাকৃতভাবে পরিবেশ অশান্ত করার চেষ্টা চলছে। অন্যদিকে, বিজেপি-র সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা জানায় বিষয়টি তাদের নজরে এসেছে। তবে এই নিয়ে এখনও পর্যন্ত দলের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। ভোটের আগে এই পোস্টার ঘিরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।
রাত পোহালেই ভোটগ্রহণ
ভোটের প্রস্তুতি তুঙ্গে। জলপাইগুড়ি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের ডিসিআরসি (DCRC) সেন্টার এখন রীতিমতো রণক্ষেত্র। বুধবার সকাল থেকেই এখানকার চিত্রটা একেবারে অন্যরকম। চারিদিকে সাজ সাজ রব আর চরম ব্যস্ততা। পাঁচ বিধানসভা কেন্দ্রের ভোট পরিচালনার মূল দায়িত্ব পালন করছে এই কেন্দ্রটি। এই পাঁচটি কেন্দ্র জলপাইগুড়ি সদর, ময়নাগুড়ি, ধূপগুড়ি, রাজগঞ্জ ও ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি। সকাল থেকেই এই পাঁচ বিধানসভার কয়েক হাজার ভোটকর্মী নির্দিষ্ট কাউন্টারে ভিড় জমিয়েছেন। ইভিএম (EVM), ভিভিপ্যাট (VVPAT) থেকে শুরু করে যাবতীয় নথিপত্র বুঝে নেওয়ার কাজ চলছে পুরোদমে। নথিপত্র এবং ভোটের সরঞ্জাম হাতে পাওয়ার পরেই তাঁরা একে একে রওনা দিচ্ছেন নিজেদের নির্দিষ্ট বুথের উদ্দেশ্যে। কড়া নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে সারা চত্বর। ভোটকর্মীদের চোখে-মুখে একদিকে যেমন দায়িত্বের গুরুত্ব, অন্যদিকে তেমনই ব্যস্ততার ছাপ স্পষ্ট। তবে এরই মধ্যে ভোটকর্মীদের মুখে স্পষ্ট ভাবে ধরা পড়ল বিগত বছরের অভিজ্ঞতা। তবে এবার নির্বাচন কমিশন (Election Commission) নির্বিঘ্নে শান্তিপূর্ণ ভোট করার লক্ষ্যে যে পরিমাণ কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করেছে, তাতে অনেকটাই স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন ভোটকর্মীরা।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।


