কালীপুজো উপলক্ষে জুয়ার আসর বন্ধ করতে সক্রিয় ভূমিকায় চাঁচল থানার পুলিশ। এলাকায় নজরদারি ও অভিযানের বিস্তারিত খবর জেনে নিন।
কালীপুজোর মেলা বসবে, উৎসবের আনন্দে মাতবেন সাধারণ মানুষ। কিন্তু সেই উৎসবের আড়ালে জুয়ার আসর? কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না! আসন্ন কালীপুজোকে সামনে রেখে প্রশাসনিক বৈঠকে জুয়া বন্ধে কড়া বার্তা দিলেন মালদার চাঁচল থানার আইসি জয়দেব ঘোষ। কালীপুজোর আগে জুয়া খেললে যেতে হতে পারে জেলেও- এমনই কড়া বার্তা দিলেন চাঁচল থানার আইসি।
কালীপুজোর প্রস্তুতি বৈঠক
মঙ্গলবার বিকেলে মালদার চাঁচলা থানা পাড়া একটি বেসরকারি অতিথি আবাসে বৈঠকের আয়োজন করা হয়।কালীপুজোর ক্লাব ও মেলা কমিটিগুলিকে নিয়ে এই বৈঠক করা হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন চাঁচল থানার আইসি জয়দেব ঘোষ, চাচল ১ নং ব্লকের বিডিও পৌশালী চক্রবর্তী, ২ ব্লকের বিডিও সান্তনু চক্রবর্তী, চাচল দমকল বিভাগের আধিকারিক রতন সিংহ, বিদ্যুৎ দপ্তরের আধিকারিক আব্দুল রহিম, চাঁচল গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য প্রসেনজিৎ শর্মা সহ অনেকেই। বৈঠকে স্পষ্ট নির্দেশ, কোনও ক্লাবের কালী পুজো বা মেলায় জুয়ার আসর বসানো যাবে না। নির্দেশ অমান্য করে জুয়া খেলা হলে আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ করা হবে বলে হুঁশিয়ারি পুলিশের।
জুয়া বন্ধে তৎপর পুলিশ
সম্প্রতি মালদার মানিকচকে জুয়া বন্ধ করতে গিয়ে পুলিশের আক্রান্ত হওয়ার ঘটনার পর জুয়া খেলা নিয়ে আরও সতর্ক পুলিশ প্রশাসন। সেই আবহেই আসন্ন কালীপুজোকে সামনে রেখে চাঁচল থানার পুলিশের এই কড়া অবস্থান যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। পুজো কমিটিগুলিকে আগেভাগেই সতর্ক করে দিয়ে জানানো হয়েছে, জুয়া খেলার অনুমতি দেওয়া যাবে না। কোথাও জুয়ার আসর বসলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উৎসবের আনন্দের আড়ালে বেআইনি কাজ চলবে না। জুয়া খেললে ভাইফোঁটা নিতে হবে জেলেই! এখন দেখার, পুলিশের এই কড়া নির্দেশের পর কালীপুজো ও মেলার দিনগুলিতে জুয়া বন্ধ করতে কতটা সক্রিয় থাকে পুলিশ প্রশাসন।


