- Home
- West Bengal
- Kolkata
- Annapurna Bhandar: কড়া ভেরিফিকেশন! অগাষ্টে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের টাকা ফেরত দিতে হবে এই মহিলাদের?
Annapurna Bhandar: কড়া ভেরিফিকেশন! অগাষ্টে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের টাকা ফেরত দিতে হবে এই মহিলাদের?
অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পে মাসে ৩০০০ টাকা পাওয়ার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে নবান্নের কড়া ভেরিফিকেশন ড্রাইভ। তথ্য গোপন করে টাকা নিলে বা অযোগ্য হলে কী পদক্ষেপ নেবে সরকার? অগাষ্টে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের টাকা ফেরত দিতে হবে এই মহিলাদের?

অন্নপূর্ণা যোজনা (Annapurna Yojana) নিয়ে অনেক আশা-প্রত্যাশা মহিলাদের। মাসে মাসে তিন হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা করেছে রাজ্যের নতুন বিজেপি সরকার।

ইতিমধ্যে জুন ও জুলাই মাসের টাকাও দেওয়া হয়েছে। জুলাই মাসে ১ কোটি ১০ লক্ষেরও বেশি মহিলার অ্যাকাউন্টে পৌঁছে গিয়েছে ৩০০০ টাকা।
তবে এখনও অনেকের আবেদন গৃহীত হয়নি, তা ভেরিফিকেশন পর্যায়ে আছে। তারা আদৌ অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাবেন কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে।
বিজেপি সরকার প্রথম থেকেই বলেছে যে প্রকৃত প্রয়োজন যাদের, তাদেরই অন্নপূর্ণা যোজনার আর্থিক সুবিধা দেওয়া হবে। ইতিমধ্যেই সরকার বেশ কিছু ক্রাইটেরিয়া বা শর্তও জানিয়েছে যে কারা অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাবেন আর কারা নয়। যেমন সরকারি চাকরি করেন বা সরকারি পেনশন পান যারা, কিংবা যাদের আয় আয়করের সীমার থেকে বেশি, তারা অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাবেন না।
তবে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ বিলিবণ্টনের ক্ষেত্রে নবান্ন এবং সংশ্লিষ্ট দফতর এক অত্যন্ত কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে। প্রশাসনিক সূত্রে খবর, তথ্য গোপন করে বা অযোগ্য হওয়া সত্ত্বেও যদি কেউ এই প্রকল্পের সুবিধা গ্রহণ করেন, তবে ভেরিফিকেশন বা যাচাই প্রক্রিয়ার পর সেই টাকা ফেরত নেওয়ার মতো কড়া পদক্ষেপও নেওয়া হতে পারে।
যাচাই প্রক্রিয়া বা 'অ্যানালিসিস' ড্রাইভ:
পুর ও নারী-শিশুকল্যাণ মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, টাকা দেওয়ার আগে এবং টাকা দেওয়ার প্রক্রিয়া চলাকালীন একটি স্বচ্ছ 'অ্যানালিসিস' বা যাচাই প্রক্রিয়া চালানো হবে।
এই প্রক্রিয়ার মূল উদ্দেশ্য হলো নিশ্চিত করা যে রাজ্যের প্রতিটি প্রকৃত নাগরিক যেন অত্যন্ত সহজে এই সরকারি সুবিধা পায় এবং কোনো অযোগ্য ব্যক্তি যেন তালিকাভুক্ত না থাকে]। সরকার বিশেষ করে ভোটার তালিকা এবং এসআইআর (SIR) তালিকা মিলিয়ে দেখার ওপর জোর দিচ্ছে।
নবান্নের লক্ষ্য ও প্রস্তুতি:
সরকার স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, প্রকল্পের লক্ষ্য হলো নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মহিলাদের আর্থিক স্বনির্ভরতা প্রদান করা। কিন্তু এই সহায়তা দেওয়ার আগে প্রশাসন নিশ্চিত করতে চায় যে সরকারি কোষাগারের টাকা যেন কোনোভাবেই অপাত্রে দান না হয়।
মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল জানিয়েছেন, যারা সিএএ (CAA)-এর অধীনে আবেদন করেছেন বা যাদের নাগরিকত্ব ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন, তাঁরা এই সুবিধার আওতায় থাকবেন, কিন্তু অন্য কোনো অবৈধ উপায়ে টাকা নেওয়ার চেষ্টা করলে প্রশাসন তা বরদাস্ত করবে না।
তবে শুধুমাত্র তথ্য যাচাইয়ের জন্যই কাউকে টাকা ফেরত দিতে হবে, এমন কোনও প্রশাসনিক নিয়ম নেই। কোনও উপভোক্তার বিরুদ্ধে অনিয়ম বা ভুয়ো তথ্য প্রমাণিত হলে তবেই প্রশাসন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে পারে। তাই যাঁরা প্রকৃত যোগ্য এবং সঠিক নথি জমা দিয়েছেন, তাঁদের উদ্বিগ্ন হওয়ার কারণ নেই।

