- Home
- West Bengal
- Kolkata
- Annapurna Yojana: নবান্নের আপডেট! অন্নপূর্ণা যোজনায় আবেদনের কতদিনের মধ্যে ঢুকবে টাকা! তারিখ জানাল রাজ্য
Annapurna Yojana: নবান্নের আপডেট! অন্নপূর্ণা যোজনায় আবেদনের কতদিনের মধ্যে ঢুকবে টাকা! তারিখ জানাল রাজ্য
পশ্চিমবঙ্গের মহিলাদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তুলতে চালু হয়েছে ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’ বা অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার। এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হলো যোগ্য নারীদের ৩,০০০ টাকা দেওয়া। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে আবেদনের কত দিনের মধ্যে টাকা ঢুকবে! এবার জানা গেল তারিখ।

নারীদের সুবিধার্থে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার বা অন্নপূর্ণা যোজনার আবেদন প্রক্রিয়াটিকে অত্যন্ত সহজ এবং সর্বজনীন করে তোলা হয়েছে। বর্তমানে রাজ্যের যোগ্য প্রার্থীরা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে অনলাইন এবং অফলাইন—এই দুই মাধ্যমেই নিজেদের নাম নথিভুক্ত করতে পারছেন।

অনেকেই ইন্টারনেটের জটিলতা এড়াতে অফলাইন বা কাগজের ফর্ম পূরণ করাকেই বেশি পছন্দ করেন। আবার বর্তমান প্রজন্মের প্রযুক্তি সচেতন নারীরা ঘরে বসেই অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন সারতে ভালোবাসেন।
দুই ধরনের উপভোক্তার কথা মাথায় রেখেই প্রশাসন এই দ্বি-মুখী আবেদন ব্যবস্থার দরজা উন্মুক্ত করে দিয়েছে। এর ফলে রাজ্যের প্রতিটি কোণায় থাকা যোগ্য মহিলারা খুব সহজেই এই প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত হতে পারছেন।
অফলাইন পদ্ধতিতে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার যোজনার সুবিধা পেতে গেলে আবেদনকারীকে প্রথমে নির্দিষ্ট সরকারি কার্যালয় থেকে ফর্ম সংগ্রহ করতে হবে। বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী এই প্রকল্পের জন্য একটি বিশেষ ১২ পাতার আবেদনপত্র নির্দিষ্ট করা হয়েছে।
উপভোক্তাদের এই নির্দিষ্ট ফর্মে নিজেদের ও পরিবারের সকলের নাম, ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর অত্যন্ত মনোযোগ সহকারে পূরণ করতে হবে। ফর্ম পূরণের পর এর সঙ্গে আধার কার্ড, ভোটার কার্ড এবং নিজস্ব ব্যাংক অ্যাকাউন্টের জেরক্স কপি সংযুক্ত করতে হবে।
সমস্ত নথিপত্র একসাথে বেঁধে নিকটবর্তী সরকারি ক্যাম্প, পঞ্চায়েত অফিস বা পুরসভায় গিয়ে জমা দিয়ে আসতে হবে। জমাদানের পর অফিস থেকে প্রাপ্ত রসিদটি ভবিষ্যতের প্রমাণ বা স্ট্যাটাস চেক করার জন্য নিজের কাছে যত্ন করে রেখে দেবেন।
ডিজিটাল পদ্ধতিতে অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম (Anna Purna Yojana Form Fill Up) পূরণ করতে চাইলে আবেদনকারীকে প্রথমে রাজ্য সরকারের নির্দিষ্ট অফিসিয়াল পোর্টালে প্রবেশ করতে হবে। পোর্টালে গিয়ে নিজের সচল মোবাইল নম্বর দিয়ে ওটিপি ভেরিফিকেশনের মাধ্যমে একটি নতুন অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হবে।
এরপর স্ক্রিনে আসা ডিজিটাল আবেদনপত্রে নিজের সমস্ত ব্যক্তিগত এবং ব্যাংকিং তথ্য নির্ভুলভাবে টাইপ করে বসাতে হবে। প্রয়োজনীয় সমস্ত নথিপত্র যেমন—আধার কার্ড ও ব্যাংকের পাসবইয়ের প্রথম পাতার ছবি স্ক্যান করে আপলোড করতে হবে।
সাবমিট করার আগে পুরো ফর্মটি আরও একবার ভালোভাবে যাচাই করে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে। সবশেষে ‘সাবমিট’ বাটনে ক্লিক করলেই স্ক্রিনে একটি ইউনিক অ্যাপ্লিকেশন আইডি দেখা যাবে, যা সেভ করে রাখবেন।
নতুন আবেদনকারীদের মনে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো, ফর্ম জমা দেওয়ার ঠিক কত দিন পর ব্যাংকে টাকা ঢুকবে? এই বিষয়ে বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রা পাল স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে, আবেদন করার পর যোগ্য নারীদের বেশি দিন অপেক্ষা করতে হবে না।
সমস্ত কাগজপত্র জমা পড়ার পর যাচাইকরণ প্রক্রিয়া সফলভাবে সম্পন্ন হলে মাত্র ৭ থেকে ৮ দিনের মধ্যেই মিলবে টাকা। তবে এই কড়কড়ে ৩,০০০ টাকা সরাসরি নিজের অ্যাকাউন্টে পেতে হলে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শর্ত পূরণ করতে হবে।
উপভোক্তার নিজস্ব ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সাথে অতি অবশ্যই ‘ডিবিটি’ (Direct Benefit Transfer) বা আধার লিঙ্ক সক্রিয় থাকতে হবে। আধার কার্ডের সাথে ব্যাংকের সরাসরি সংযোগ না থাকলে টাকা পাঠাতে সমস্যা হতে পারে বা টাকা আটকে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

