Durga Puja 2026: এক মণ্ডপেই কৃষ্ণ ও দুর্গার মহাশক্তি! চেতলা অগ্রণীর বিরাট চমক

Durga Puja 2026: কলকাতার অন্যতম জনপ্রিয় পুজো চেতলা অগ্রণী ক্লাব (Chetla Agrani Club)-এর এ বছরের পুজো থিম ‘বিশ্বরূপে বিশ্বরূপিণী’ (Vishwaroope Vishwaroopini)। মহাভারতে শ্রীকৃষ্ণের অনন্ত বিশ্বরূপ দর্শন এবং দেবী দুর্গার মহাজাগতিক মহাশক্তিকে…

Share this Video

Durga Puja 2026:

কলকাতার শারদোৎসবে ঐতিহ্য ও আধুনিক ভাবনার মেলবন্ধনে প্রতি বছরই নজর কাড়ে চেতলা অগ্রণী ক্লাব। এ বছর তাদের দুর্গোৎসবের মূল ভাবনা ‘বিশ্বরূপে বিশ্বরূপিণী’। শ্রীকৃষ্ণের বিশ্বরূপ দর্শন এবং দেবী দুর্গার অনন্ত শক্তির রূপকে একসূত্রে বেঁধে মণ্ডপজুড়ে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে এই বিশেষ থিম।

মহাভারতের কুরুক্ষেত্র প্রান্তরে অর্জুনকে দেখানো শ্রীকৃষ্ণের সেই অনন্ত বিশ্বরূপের ধারণাই এই ভাবনার মূল উৎস। উদ্যোক্তাদের বক্তব্য, প্রকৃতির প্রতিটি কণা, সৃষ্টি, স্থিতি ও লয়ের ভেতরেই পরম শক্তির প্রকাশ। সেই ব্রহ্মাণ্ডব্যাপী চৈতন্যকেই এখানে মহাশক্তি দেবী দুর্গার মাতৃত্ব ও সংহাররূপী শক্তির সঙ্গে মেলানো হয়েছে।

মণ্ডপসজ্জায় ব্যবহৃত হয়েছে নান্দনিক ভাস্কর্য, সূক্ষ্ম কারুকাজ এবং আলোর আবহ। গর্ভগৃহে প্রবেশের পর দর্শনার্থীরা যাতে এক আধ্যাত্মিক এবং মহাজাগতিক পরিবেশ অনুভব করতে পারেন, সেই অনুযায়ী তৈরি করা হয়েছে গোটা স্থাপত্য। প্রতিমা নির্মাণেও রয়েছে থিমের স্পষ্ট ছাপ। একদিকে সনাতন মাতৃরূপ, অন্যদিকে বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের ধাত্রী হিসেবে দেবীর বিস্তার—উভয় দিককেই একসঙ্গে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে প্রতিমার গড়নে।

উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, এই থিমের মাধ্যমে সমাজে সম্প্রীতি এবং আত্মিক ঐক্যের বার্তাও তুলে ধরা হয়েছে। সমস্ত সৃষ্টির মূল উৎস যে এক মহাশক্তি, তা মনে করিয়ে দেওয়াই এর উদ্দেশ্য। পূজা শুরুর আগে থেকেই অভিনব এই ভাবনাকে কেন্দ্র করে সাধারণ দর্শনার্থী ও শিল্পপ্রেমীদের মধ্যে বাড়তি আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

কলকাতার শারদোৎসবে ঐতিহ্য ও আধুনিক ভাবনার মেলবন্ধনে প্রতি বছরই নজর কাড়ে চেতলা অগ্রণী ক্লাব। এ বছর তাদের দুর্গোৎসবের মূল ভাবনা ‘বিশ্বরূপে বিশ্বরূপিণী’। শ্রীকৃষ্ণের বিশ্বরূপ দর্শন এবং দেবী দুর্গার অনন্ত শক্তির রূপকে একসূত্রে বেঁধে মণ্ডপজুড়ে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে এই বিশেষ থিম।

মহাভারতের কুরুক্ষেত্র প্রান্তরে অর্জুনকে দেখানো শ্রীকৃষ্ণের সেই অনন্ত বিশ্বরূপের ধারণাই এই ভাবনার মূল উৎস। উদ্যোক্তাদের বক্তব্য, প্রকৃতির প্রতিটি কণা, সৃষ্টি, স্থিতি ও লয়ের ভেতরেই পরম শক্তির প্রকাশ। সেই ব্রহ্মাণ্ডব্যাপী চৈতন্যকেই এখানে মহাশক্তি দেবী দুর্গার মাতৃত্ব ও সংহাররূপী শক্তির সঙ্গে মেলানো হয়েছে।

মণ্ডপসজ্জায় ব্যবহৃত হয়েছে নান্দনিক ভাস্কর্য, সূক্ষ্ম কারুকাজ এবং আলোর আবহ। গর্ভগৃহে প্রবেশের পর দর্শনার্থীরা যাতে এক আধ্যাত্মিক এবং মহাজাগতিক পরিবেশ অনুভব করতে পারেন, সেই অনুযায়ী তৈরি করা হয়েছে গোটা স্থাপত্য। প্রতিমা নির্মাণেও রয়েছে থিমের স্পষ্ট ছাপ। একদিকে সনাতন মাতৃরূপ, অন্যদিকে বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের ধাত্রী হিসেবে দেবীর বিস্তার—উভয় দিককেই একসঙ্গে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে প্রতিমার গড়নে।

উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, এই থিমের মাধ্যমে সমাজে সম্প্রীতি এবং আত্মিক ঐক্যের বার্তাও তুলে ধরা হয়েছে। সমস্ত সৃষ্টির মূল উৎস যে এক মহাশক্তি, তা মনে করিয়ে দেওয়াই এর উদ্দেশ্য। পূজা শুরুর আগে থেকেই অভিনব এই ভাবনাকে কেন্দ্র করে সাধারণ দর্শনার্থী ও শিল্পপ্রেমীদের মধ্যে বাড়তি আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

কলকাতার শারদোৎসবে ঐতিহ্য ও আধুনিক ভাবনার মেলবন্ধনে প্রতি বছরই নজর কাড়ে চেতলা অগ্রণী ক্লাব। এ বছর তাদের দুর্গোৎসবের মূল ভাবনা ‘বিশ্বরূপে বিশ্বরূপিণী’। শ্রীকৃষ্ণের বিশ্বরূপ দর্শন এবং দেবী দুর্গার অনন্ত শক্তির রূপকে একসূত্রে বেঁধে মণ্ডপজুড়ে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে এই বিশেষ থিম।

মহাভারতের কুরুক্ষেত্র প্রান্তরে অর্জুনকে দেখানো শ্রীকৃষ্ণের সেই অনন্ত বিশ্বরূপের ধারণাই এই ভাবনার মূল উৎস। উদ্যোক্তাদের বক্তব্য, প্রকৃতির প্রতিটি কণা, সৃষ্টি, স্থিতি ও লয়ের ভেতরেই পরম শক্তির প্রকাশ। সেই ব্রহ্মাণ্ডব্যাপী চৈতন্যকেই এখানে মহাশক্তি দেবী দুর্গার মাতৃত্ব ও সংহাররূপী শক্তির সঙ্গে মেলানো হয়েছে।

মণ্ডপসজ্জায় ব্যবহৃত হয়েছে নান্দনিক ভাস্কর্য, সূক্ষ্ম কারুকাজ এবং আলোর আবহ। গর্ভগৃহে প্রবেশের পর দর্শনার্থীরা যাতে এক আধ্যাত্মিক এবং মহাজাগতিক পরিবেশ অনুভব করতে পারেন, সেই অনুযায়ী তৈরি করা হয়েছে গোটা স্থাপত্য। প্রতিমা নির্মাণেও রয়েছে থিমের স্পষ্ট ছাপ। একদিকে সনাতন মাতৃরূপ, অন্যদিকে বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের ধাত্রী হিসেবে দেবীর বিস্তার—উভয় দিককেই একসঙ্গে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে প্রতিমার গড়নে।

উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, এই থিমের মাধ্যমে সমাজে সম্প্রীতি এবং আত্মিক ঐক্যের বার্তাও তুলে ধরা হয়েছে। সমস্ত সৃষ্টির মূল উৎস যে এক মহাশক্তি, তা মনে করিয়ে দেওয়াই এর উদ্দেশ্য। পূজা শুরুর আগে থেকেই অভিনব এই ভাবনাকে কেন্দ্র করে সাধারণ দর্শনার্থী ও শিল্পপ্রেমীদের মধ্যে বাড়তি আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

কলকাতার শারদোৎসবে ঐতিহ্য ও আধুনিক ভাবনার মেলবন্ধনে প্রতি বছরই নজর কাড়ে চেতলা অগ্রণী ক্লাব। এ বছর তাদের দুর্গোৎসবের মূল ভাবনা ‘বিশ্বরূপে বিশ্বরূপিণী’। শ্রীকৃষ্ণের বিশ্বরূপ দর্শন এবং দেবী দুর্গার অনন্ত শক্তির রূপকে একসূত্রে বেঁধে মণ্ডপজুড়ে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে এই বিশেষ থিম।
মহাভারতের কুরুক্ষেত্র প্রান্তরে অর্জুনকে দেখানো শ্রীকৃষ্ণের সেই অনন্ত বিশ্বরূপের ধারণাই এই ভাবনার মূল উৎস। উদ্যোক্তাদের বক্তব্য, প্রকৃতির প্রতিটি কণা, সৃষ্টি, স্থিতি ও লয়ের ভেতরেই পরম শক্তির প্রকাশ। সেই ব্রহ্মাণ্ডব্যাপী চৈতন্যকেই এখানে মহাশক্তি দেবী দুর্গার মাতৃত্ব ও সংহাররূপী শক্তির সঙ্গে মেলানো হয়েছে।

মণ্ডপসজ্জায় ব্যবহৃত হয়েছে নান্দনিক ভাস্কর্য, সূক্ষ্ম কারুকাজ এবং আলোর আবহ। গর্ভগৃহে প্রবেশের পর দর্শনার্থীরা যাতে এক আধ্যাত্মিক এবং মহাজাগতিক পরিবেশ অনুভব করতে পারেন, সেই অনুযায়ী তৈরি করা হয়েছে গোটা স্থাপত্য। প্রতিমা নির্মাণেও রয়েছে থিমের স্পষ্ট ছাপ। একদিকে সনাতন মাতৃরূপ, অন্যদিকে বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের ধাত্রী হিসেবে দেবীর বিস্তার—উভয় দিককেই একসঙ্গে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে প্রতিমার গড়নে।

উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, এই থিমের মাধ্যমে সমাজে সম্প্রীতি এবং আত্মিক ঐক্যের বার্তাও তুলে ধরা হয়েছে। সমস্ত সৃষ্টির মূল উৎস যে এক মহাশক্তি, তা মনে করিয়ে দেওয়াই এর উদ্দেশ্য। পূজা শুরুর আগে থেকেই অভিনব এই ভাবনাকে কেন্দ্র করে সাধারণ দর্শনার্থী ও শিল্পপ্রেমীদের মধ্যে বাড়তি আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

কলকাতার শারদোৎসবে ঐতিহ্য ও আধুনিক ভাবনার মেলবন্ধনে প্রতি বছরই নজর কাড়ে চেতলা অগ্রণী ক্লাব। এ বছর তাদের দুর্গোৎসবের মূল ভাবনা ‘বিশ্বরূপে বিশ্বরূপিণী’। শ্রীকৃষ্ণের বিশ্বরূপ দর্শন এবং দেবী দুর্গার অনন্ত শক্তির রূপকে একসূত্রে বেঁধে মণ্ডপজুড়ে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে এই বিশেষ থিম।

মহাভারতের কুরুক্ষেত্র প্রান্তরে অর্জুনকে দেখানো শ্রীকৃষ্ণের সেই অনন্ত বিশ্বরূপের ধারণাই এই ভাবনার মূল উৎস। উদ্যোক্তাদের বক্তব্য, প্রকৃতির প্রতিটি কণা, সৃষ্টি, স্থিতি ও লয়ের ভেতরেই পরম শক্তির প্রকাশ। সেই ব্রহ্মাণ্ডব্যাপী চৈতন্যকেই এখানে মহাশক্তি দেবী দুর্গার মাতৃত্ব ও সংহাররূপী শক্তির সঙ্গে মেলানো হয়েছে।

মণ্ডপসজ্জায় ব্যবহৃত হয়েছে নান্দনিক ভাস্কর্য, সূক্ষ্ম কারুকাজ এবং আলোর আবহ। গর্ভগৃহে প্রবেশের পর দর্শনার্থীরা যাতে এক আধ্যাত্মিক এবং মহাজাগতিক পরিবেশ অনুভব করতে পারেন, সেই অনুযায়ী তৈরি করা হয়েছে গোটা স্থাপত্য। প্রতিমা নির্মাণেও রয়েছে থিমের স্পষ্ট ছাপ। একদিকে সনাতন মাতৃরূপ, অন্যদিকে বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের ধাত্রী হিসেবে দেবীর বিস্তার—উভয় দিককেই একসঙ্গে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে প্রতিমার গড়নে।

উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, এই থিমের মাধ্যমে সমাজে সম্প্রীতি এবং আত্মিক ঐক্যের বার্তাও তুলে ধরা হয়েছে। সমস্ত সৃষ্টির মূল উৎস যে এক মহাশক্তি, তা মনে করিয়ে দেওয়াই এর উদ্দেশ্য। পূজা শুরুর আগে থেকেই অভিনব এই ভাবনাকে কেন্দ্র করে সাধারণ দর্শনার্থী ও শিল্পপ্রেমীদের মধ্যে বাড়তি আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

Related Video