Mamata on Medicines: ওষুধের দাম বৃদ্ধি নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই ইস্যুতে পথে নামারও ডাক দিয়েছেন তিনি। আগামী শুক্র এবং শনিবার রাজ্যের প্রতি ব্লক এবং ওয়ার্ডে বেলা ৪টে থেকে ৫টা প্রতিবাদ মিছিল করার আ

Mamata on Medicines: ওষুধের দাম বৃদ্ধি নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই ইস্যুতে পথে নামারও ডাক দিয়েছেন তিনি। আগামী শুক্র এবং শনিবার রাজ্যের প্রতি ব্লক এবং ওয়ার্ডে বেলা ৪টে থেকে ৫টা প্রতিবাদ মিছিল করার আহ্বান জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর প্রশ্ন, কীসের জন্য কেন্দ্রে সরকার আছে? ১ এপ্রিল থেকেই ৭৪৮টি ওষুধের দাম বেড়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায়, ''আমি এই দাম বৃদ্ধির তীব্র প্রতিবাদ করছি। বর্ধিত দাম যাতে দ্রুত প্রত্যাহার করা হয়, সেই আর্জি জানাচ্ছি।'' মুখ্যমন্ত্রীর প্রশ্ন, কেন স্বাস্থ্যবিমায় জিএসটি বসানো হবে, কেন বারবার এভাবে ওষুধের দাম বাড়ানো হবে?

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

মুখ্যমন্ত্রীর আরও অভিযোগ, স্বাস্থ্যই সম্পদ। তাই রাজ্য সরকার, নায্যমূল্যের ওষুধের দোকান থেকে স্বাস্থ্যসাথী সব করেছে। তারপরও বাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে ওষুধের দাম। স্বাস্থ্যবিমার ওপরও জিএসটি চাপাচ্ছে কেন্দ্র।" এর প্রতিবাদে তিনি প্রধানমন্ত্রীকে চিঠিও লিখেছেন বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী।

কেন্দ্রীয় সরকারের নিয়ন্ত্রণে থাকা একাধিক জীবনদায়ী ওষুধের দাম বাড়ানো হচ্ছে। ক্যান্সার (Cancer), ডায়াবেটিস (Diabetes), হার্টের অসুখের চিকিৎসায় (Heart) প্রয়োজনীয় ওষুধ, অ্যান্টিবায়োটিকের (Antibiotics) দাম বাড়তে চলেছে। এই ধরনের ওষুধগুলির দাম ১.৭ শতাংশ বাড়তে চলেছে। কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে এমনই ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। অল ইন্ডিয়া অর্গানাইজেশন অফ কেমিস্টস অ্যান্ড ড্রাগিস্টসের সাধারণ সম্পাদক রাজীব সিংঘল জানিয়েছেন, ওষুধের কাঁচামালের দাম বেড়েছে। এছাড়া অন্যান্য খরচও বেড়েছে। এই কারণে ওষুধের দাম বাড়লে এই শিল্পের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের সুবিধা হবে। রাজীবের কথা অনুযায়ী, ‘ব্যবসার নিরিখে বলতে পারি, আগামী দু-তিন মাসের মধ্যে বাজারে নতুন দামের ওষুধ আসতে চলেছে। কারণ, বাজারে কোনও ওষুধ ছাড়ার পর সেই ওষুধগুলি সব বিক্রি হতে গড়ে ৯০ দিন লাগে। এই সময়টা দিতেই হবে।’

ক্যান্সার, ডায়াবেটিস, হার্টির রোগের চিকিৎসায় প্রয়োজনীয় ওষুধের দাম বাড়ার খবরে দেশজুড়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। কারণ, এর ফলে সাধারণ মানুষের অসুবিধা হতে চলেছে। ওষুধের জন্য খরচ বেড়ে যাবে। সার ও রাসায়নিক বিষয়ক সংসদের স্থায়ী কমিটির সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, ওষুধ সংস্থাগুলি বেআইনিভাবে দাম বাড়িয়ে চলেছে। সরকার নির্ধারিত দামের চেয়েও বেশি দাম নিচ্ছে ওষুধ সংস্থাগুলি। সারা দেশে ওষুধের দাম ঠিক করে ন্যাশনাল ফার্মাকিউটিক্যাল প্রাইসিং অথরিটি। এই সংস্থা জানতে পেরেছে, ৩০৭টি ক্ষেত্রে ওষুধ সংস্থাগুলি বেআইনিভাবে বেশি দাম নিচ্ছে। ২০১৩ সালে ওষুধের দাম নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত যে আইন রয়েছে, তার ভিত্তিতেই দাম ঠিক করতে হবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। সব ওষুধ সংস্থাকেই সরকার নির্ধারিত দামের মধ্যে ওষুধের দাম রাখতে হবে। তার চেয়ে বেশি দাম নেওয়া যাবে না।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।