Gariahatflyover: উৎসবের মরশুম শুরুর আগে শহরের সৌন্দর্য বাডা়তে রাস্তায় রঙ করেছিল শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। কিন্তু বৃষ্টিতে পিচ্ছিল রাস্তায় একের পর এক বাইক দুর্ঘটনায় এবার সেই রঙ জল দিয়ে তুলে দিলো প্রশাসন। বিস্তারিত জানতে পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন।।
Gariahatflyover: দুর্গাপুজোর আগে শহরকে সাজাতে ফ্লাইওভারে রং করা হয়েছিল। কিন্তু সেই রং ঘিরেই এবার বাড়ছে বিতর্ক। বৃষ্টির জলে রং করা রাস্তা পিচ্ছিল হয়ে একের পর এক বাইক দুর্ঘটনার অভিযোগ উঠেছে গড়িয়াহাট ও চিংড়িঘাটা ফ্লাইওভারে। পরিস্থিতি সামাল দিতে এবার গড়িয়াহাট ফ্লাইওভারের রং তোলার কাজ শুরু করল প্রশাসন।
ব্যস্ত সময়ে উড়ালপুলে দুর্ঘটনা নিয়ে কী বলছে কলকাতা পুলিশ?
বৃহস্পতিবার গভীর রাতে, রাত একটা থেকে ভোর চারটে পর্যন্ত কলকাতা পুরসভার একজোড়া মেকানিক্যাল সুইপার দিয়ে চলে রং তোলার কাজ। বালিগঞ্জ ফাঁড়ির দিক এবং গোলপার্কের দিকে নামার দুটি ফ্ল্যাঙ্কে বিশেষভাবে কাজ করা হয়। মূলত রেলিং ঘেঁষা বাঁদিকের অংশ, যেখানে বেশি যাতায়াত করেন বাইক চালকরা, সেখানে যান্ত্রিক ঝাড়ু এবং বিশেষ রাসায়নিক মেশানো জল ব্যবহার করে রাস্তার মসৃণতা কমিয়ে রাস্তাকে রুক্ষ করার চেষ্টা করা হয়।
উল্লেখ্য, দুর্গাপুজোর আগে লাল, কমলা ও হলুদ রঙের বিভিন্ন শেডে সাজানো হয়েছিল গড়িয়াহাট ফ্লাইওভার। একইভাবে রং করা হয় চিংড়িঘাটা ফ্লাইওভারও। কিন্তু বৃষ্টির সময় রং করা রাস্তার উপর দিয়ে যাওয়ার সময় বাইকের চাকা পিছলে যাওয়ার একাধিক অভিযোগ সামনে আসে। চিংড়িঘাটা ফ্লাইওভারে পরপর বাইক দুর্ঘটনার ভিডিও সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয় তীব্র সমালোচনা।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তরজাও শুরু হয়েছে। রাস্তায় ব্যবহৃত রং কতটা নিরাপদ, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিরোধীরা। অন্যদিকে, রাজ্যের পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল জানিয়েছেন, ফ্লাইওভারে রং নিয়ে ওঠা অভিযোগ খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, রাস্তায় অ্যান্টি-স্কিড রং ব্যবহার করা হয়েছে। তা সত্ত্বেও কেন দুর্ঘটনা ঘটছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
এদিকে, ফ্লাইওভারে রং করার সিদ্ধান্ত এবং দুর্ঘটনার দায় কার, তা নিয়ে সরব হয়েছেন তৃণমূলপন্থী বিধায়ক কুণাল ঘোষও। সব মিলিয়ে শহর সৌন্দর্যায়নের উদ্যোগ ঘিরে এবার প্রশ্নের মুখে প্রশাসন। দুর্ঘটনার অভিযোগের পর রং তোলার এই পদক্ষেপে পরিস্থিতি কতটা বদলায়, এখন সেদিকেই নজর।








