কয়েকদিন আগেই তাঁর বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ এনেছেন রাজভবনের এক কর্মী। সেই ঘটনা নিয়ে গত কয়েকদিন ধরে বিস্তর জলঘোলা হয়েছে। তার রেশ পুরোপুরি কাটার আগেই এবার সামনে এসেছে রাজ্যপালের বিরুদ্ধে থাকা আরও একটি অভিযোগ।

ভোটের মাঝেই পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হতে পারে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসকে? তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা একের পর এক শ্লীলতাহানির ঘটনায় বেশ বিপাকে রাজ্যপাল। এই ঘটনার পর থেকেই সংবাদ শিরোনামে রয়েছেন তিনি। এবার আরেক বিপত্তি ঘাড়ে চাপল তাঁর। এরপর থেকেই প্রশ্ন উঠছে যে তাহলে কি পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হতে পারে রাজ্যপালকে!

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

কয়েকদিন আগেই তাঁর বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ এনেছেন রাজভবনের এক কর্মী। সেই ঘটনা নিয়ে গত কয়েকদিন ধরে বিস্তর জলঘোলা হয়েছে। তার রেশ পুরোপুরি কাটার আগেই এবার সামনে এসেছে রাজ্যপালের বিরুদ্ধে থাকা আরও একটি অভিযোগ। বছর খানেক পুরনো সেই অভিযোগ এনেছেন প্রখ্যাত এক ওডিশি নৃত্যশিল্পী।

কী দাবি করেছেন তিনি? প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৩ সালে এই অভিযোগ আনা হয়েছিল। সেই অভিযোগ অনুসারে, গত বছর জুন মাসে একটি অনুষ্ঠানের নাম করে সেই নৃত্যশিল্পীকে রাজধানীতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁকে যৌন হেনস্থা করেন রাজ্যপাল। দিল্লির একটি পাঁচতারা হোটেলে নৃত্যশিল্পীর থাকার বন্দোবস্ত করা হয়েছিল। সেখানে নাকি তাঁর সঙ্গে অশালীন আচরণ করেছিলেন রাজ্যপাল বোস। এরপর তিনি নবান্নের দ্বারস্থ হন। এরপর নবান্নের তরফ থেকে এই বিষয়ে প্রাথমিক তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় কলকাতা পুলিশকে। জানা যাচ্ছে, আজই নবান্নে প্রাথমিক তদন্তের রিপোর্ট জমা পড়েছে।

শ্লীলতাহানির পর যৌন হেনস্থার অভিযোগ সামনে আসায় স্বাভাবিকভাবেই সিভি আনন্দ বোস খানিক অস্বস্তিতে পড়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে তাঁকে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপালের পদ থেকে সরিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়ে রাষ্ট্রপতির কাছে চিঠি লেখা হল।

বাংলা পক্ষের তরফে এই চিঠি পাঠানো হয়েছে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে। ঠিতে বলা হয়েছে, রাজ্যপাল সাংবিধানিক রক্ষাকবচ পান। কিন্তু তাই বলে একজন নির্যাতিতা কীভাবে ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হবেন? সেই জন্য যাতে সম্পূর্ণ ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত হয় এবং নির্যাতিতা সুবিচার পান, তাই যতক্ষণ অবধি তদন্ত সম্পন্ন হচ্ছে না, ততদিন সাময়িকভাবে মাননীয় রাজ্যপালকে পদ থেকে সরানোর আবেদন জানিয়েছে বাংলা পক্ষ।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।