যাদবপুর স্টেশন চত্বরে রেলের উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে রবিবার গভীর রাত থেকে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। দীর্ঘদিন ধরে স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় থাকা হকার ও দোকান উচ্ছেদের বিরুদ্ধে বামপন্থী সংগঠন, কংগ্রেসের একাংশ, স্থানীয় বাসিন্দা এবং হকারদের একাংশ বিক্ষোভে সামিল হন। প্রবল প্রতিরোধ সত্ত্বেও রেল কর্তৃপক্ষ উচ্ছেদ অভিযান চালায়।

যাদবপুর স্টেশন চত্বরে রেলের উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে রবিবার গভীর রাত থেকে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। দীর্ঘদিন ধরে স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় থাকা হকার ও দোকান উচ্ছেদের বিরুদ্ধে বামপন্থী সংগঠন, কংগ্রেসের একাংশ, স্থানীয় বাসিন্দা এবং হকারদের একাংশ বিক্ষোভে সামিল হন। প্রবল প্রতিরোধ সত্ত্বেও রেল কর্তৃপক্ষ উচ্ছেদ অভিযান চালায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে রেল পুলিশ, রাজ্য পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়। বিক্ষোভকারীদের সরাতে পুলিশ লাঠিচার্জ করে। এর ফলে অনেকে আহত হন। আহতদের মধ্যে রয়েছেন যাদবপুরের প্রাক্তন সাংসদ সুজন চক্রবর্তী, এসএফআইয়ের সর্বভারতীয় সম্পাদক ও ছাত্রনেতা সৃজন ভট্টাচার্য, জয়রাজ ভট্টাচার্য। বামপন্থী সংগঠনগুলির দাবি, মোট অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। রামগড়ের বাসিন্দা ঋতব্রত ঘোষ নামে এক বিক্ষোভকারীর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

প্রথমে পুলিশ বেশ কয়েকজন বিক্ষোভকারীকে আটক করে। পরে সৃজন ভট্টাচার্য-সহ মোট ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সুজন চক্রবর্তী ও জয়রাজ ভট্টাচার্যের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁদের স্থানীয় কেপিসি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সিটি স্ক্যান করানো হয়। প্রায় ১৫ জন কেপিসি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভর্তি রয়েছেন। সুজন চক্রবর্তীর মাথায় গুরুতর আঘাত থাকার জন্য যাবতীয় পরীক্ষা করা হচ্ছে। সেলাই করা হয়েছে বহু আক্রান্তের। ঘটনাস্থলে উপস্থিত কয়েকজন সাংবাদিকও পুলিশের লাঠির ঘায়ে আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ।

রাতভর চলা অভিযানে যাদবপুর স্টেশন সংলগ্ন একাধিক দোকান ও স্টল ভেঙে ফেলা হয়। রেলের বক্তব্য, স্টেশন এলাকা দখলমুক্ত করে যাত্রীদের নিরাপত্তা ও চলাচলের সুবিধা বাড়ানোর লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। যেসব দোকান এখনও রয়ে গিয়েছে, সেগুলি সরিয়ে নেওয়ার জন্য ১৫ দিনের নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে, গ্রেফতার হওয়া নেতা-কর্মীদের মুক্তির দাবিতে সোমবার আন্দোলন শুরু হবে। রাত প্রায় তিনটে নাগাদ যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪ নম্বর গেটের সামনে ছাত্রছাত্রীরা বিক্ষোভে সামিল হন। এসএফআইয়ের পক্ষ থেকে অবিলম্বে সৃজন ভট্টাচার্য-সহ সকলের মুক্তির দাবি জানানো হয়েছে। অবস্থানে রয়েছেন ছাত্রসংগ্রাম পত্রিকার সম্পাদক সৌভিক দাসবক্সী এসএফআই কলকাতা জেলা সম্পাদক শুভদীপ ব্যানার্জি, সভাপতি হাসিব হোসেন সহ এসএফআই কর্মীরা।