যে নাবালকের শরীরে এই ভাইরাস থাবা বসিয়েছে তাঁর অবস্থা বেশ উদ্বেগজনক বলে খবর। গড়িয়ার ওই বাসিন্দাকে আইসিউতে ভর্তি করানো হয়েছে। এমনকি ওই নাবালকের মাকে আইসোলেশনে পাঠানো হয়েছে বলে খবর।
বিগত ৭ দিন ধরে জ্বর ছিল। রিপোর্ট অনুযায়ী, টেস্ট করাতেই করোনা ধরা পড়ে বছর ১০-এর এক নাবালকের। এরপর তড়িঘড়ি কলকাতার পিয়ারলেস হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় তাঁকে। সেখানে চিকিৎসা চলছে বলে খবর। এই ঘটনার জেরে ফের কলকাতায় করোনার থাবার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
যে নাবালকের শরীরে এই ভাইরাস থাবা বসিয়েছে তাঁর অবস্থা বেশ উদ্বেগজনক বলে খবর। গড়িয়ার ওই বাসিন্দাকে আইসিউতে ভর্তি করানো হয়েছে। এমনকি ওই নাবালকের মাকে আইসোলেশনে পাঠানো হয়েছে বলে খবর। এহেন ঘটনাকে ঘিরে স্বাভাবিকভাবেই সর্বত্র আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে সকলের মধ্যে।
এমনিতেই দেশজুড়ে নতুন করে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে কোভিড ১৯। উত্তরপ্রদেশ থেকে শুরু করে অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে অনেকের আক্রান্তের খবর মিলেছে। অন্ধ্রপ্রদেশেও নতুন করে করোনা উদ্বেগ বাড়িয়েছে। সেখানে ৮ জন নতুন করে আক্রান্ত হওয়ার পাশাপাশি কডপা জেলায় দুজনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। ফলে প্রতিবেশী রাজ্যগুলোতেও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। চিকিৎসকদের মতে, বর্ষার মরসুমে শিশুদের দীর্ঘস্থায়ী জ্বর, কাশি বা শ্বাসকষ্টকে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ ও প্রয়োজনে করোনা পরীক্ষা করানো উচিত, তবে এই নিয়ে অহেতুক আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই।
তবে এবার ভাইরাসের থাবা বসল কলকাতা শহরেও। হাসপাতালের শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ জানিয়েছেন, কয়েকদিন ধরেই জ্বর সর্দি কাশি ছিল, কিছুতেই কমছিল না। হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে তাকে ভর্তি করি। এরপর ভাইরাল টেস্ট এবং এক্স রে করানো হয়। এক্স রে-তে ধরা পড়ে বাচ্চাটির নিউমোনিয়া ধরা পড়ে এবং ভাইরাল টেস্টে জানা যায় সে করোনা সংক্রমিত হয়েছে। এটা যেহেতু একটা ভাইরাস ইনফেকশন, সেক্ষেত্রে তাকে দ্রুত আইসোলেশন ওয়ার্ডে স্থানান্তরিত করা হয়।
রিপোর্ট সূত্রে খবর, শনিবার সকালেই ওই নাবালককে পিয়ারলেস হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। পরিবার থেকে শুরু করে চিকিৎসকরা প্রাথমিকভাবে ভেবেছিল, সামান্য ভাইরাল জ্বর, সর্দি আর শ্বাসকষ্টের সমস্যা হয়েছে নাবালকের। কিন্তু চিকিৎসকদের সন্দেহ হওয়ায় তার সোয়াব টেস্ট করা হয়। সেখানে রিপোর্ট করোনা পজিটিভ আসে। এরপরই তড়িঘড়ি আক্রান্ত নাবালককে ভর্তি নিয়ে নেওয়া হয় হাসপাতালে।
চিকিৎসকদের মতে, বর্ষায় শুধু কোভিড নয়, ইনফ্লুয়েঞ্জা A এবং H1N1-এর সংক্রমণও বাড়ছে। তাই জ্বর, গলা ব্যথা, কাশি বা শ্বাসকষ্ট হলে পরীক্ষা করানোর পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।


