Jai Shri Ram: 'জয় শ্রীরাম' বললেই, ডাক্তারের ফি-তে ছাড়! ভোটের মুখে খাস কলকাতায় ঘটল এমন ঘটনা। বালিগঞ্জ ফাঁড়ি এলাকায় এক হৃদরোগ বিশেষজ্ঞের ঘোষণা করছেন, কোনও রোগী তাঁর কাছে দেখাতে এসে যদি 'জয় শ্রীরাম' বলেন তাহলে তাকে ৫০০ টাকা কম 'Doctor Fee' দিতে হবে।

Jai Shri Ram: 'জয় শ্রীরাম' বললেই, ডাক্তারের ফি-তে ছাড়! ভোটের মুখে খাস কলকাতায় ঘটল এমন ঘটনা। দক্ষিণ কলকাতার বালিগঞ্জ ফাঁড়ি এলাকায় এক হৃদরোগ বিশেষজ্ঞের ঘোষণা করছেন, কোনও রোগী তাঁর কাছে দেখাতে এসে যদি 'জয় শ্রীরাম' বলেন তাহলে তাকে ৫০০ টাকা কম 'Doctor Fee' দিলেও চলবে। ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজিস্ট বিশেষজ্ঞ ডাক্তার পি.কে. হাজরা সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে জানান, তাঁর ব্যক্তিগত চেম্বারে চিকিৎসা করাতে এসে যদি কোনও রোগী 'জয় শ্রী রাম' স্লোগান উচ্চারণ করেন, তিনি সঙ্গে সঙ্গে ৫০০ টাকা ছাড় পাবেন।" তবে 'জয় শ্রী রাম' বলে ছাড়ের এই অফার শুধুমাত্র তাঁর বালিগঞ্জ ফাঁড়ির চেম্বারেই প্রযোজ্য, কোনও কর্পোরেট হাসপাতাল বা অন্যত্র নয়। এমন কথাও জানিয়েছেন সেই চিকিৎসক।

দু হাজারের বদলে ফি কমে দেড় হাজার

পিকে হাজরা-র চেম্বারে দেখানোর ফি ছিল ২ হাজার টাকা। ভোটের আগে সাধারণ মানুষের সুবিধার কথা মাথায় রেখে তা কমিয়ে ১৫০০ টাকা করা হয়। আর এখন এই নতুন ঘোষণার ফলে নির্দিষ্ট স্লোগান বললে রোগীদের দিতে হবে মাত্র ১০০০ টাকা। চিকিৎসকের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই তিনি নিখরচায় বহু রোগীর চিকিৎসা করে আসছেন। তাঁর কথায়, এটি সম্পূর্ণভাবে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর একটি উদ্যোগ, যাতে আরও বেশি মানুষ কম খরচে চিকিৎসা পরিষেবা পান। এই সিদ্ধান্তে কোনও অনৈতিকতা নেই বলেও তিনি দাবি করেছেন।

দেখুন ভিডিও

Scroll to load tweet…

বিতর্ক তুঙ্গে

তবে বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক তুঙ্গে। চিকিৎসক নিজেই জানিয়েছেন, তিনি আদর্শগতভাবে বিজেপি-কে সমর্থন করেন এবং দেশ গঠনে তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ভাবনায় অনুপ্রাণিত। এমনকি তাঁর চেম্বারে দলীয় গামছা পরা অবস্থায় একটি পোস্টারও টাঙানো হয়েছে, যেখানে এই অফারের উল্লেখ রয়েছে এবং একটি QR কোডও দেওয়া আছে। প্রথম দিনেই নাকি অন্তত তিনজন হৃদরোগী জয় শ্রীরাম বলে ফি-তে ছাড় পাওয়ার অফারের সুযোগ নিয়েছেন বলে জানা গেছে। অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী-সমর্থকদের অভিযোগ, এই ধরনের পদক্ষেপ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং নির্দিষ্ট দলকে খুশি করার চেষ্টা। এদিকে সেই চিকিৎসক ভবিষ্যতে সক্রিয় রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার ইঙ্গিতও দিয়েছেন। তাঁর কথায়, এলাকায় কাজ করার পর সুযোগ পেলে তিনি বিজেপির টিকিটে নির্বাচনে লড়তেও আগ্রহী।